রাবি শিক্ষার্থীদের দুই বছর জাপানে পড়ার সুযোগ

প্রস্তাবিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত একাডেমিক যোগ্যতা ও কর্মসূচির কাঠামো পূরণ করতে পারলে শিক্ষার্থীরা স্নাতক সম্মান পড়াশোনার শেষ দুই বছর জাপানের অংশীদার প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে পারবেন। কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হলে সংশ্লিষ্ট জাপানি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ অর্জনেরও সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছর মেয়াদি স্নাতক সম্মান পড়াশোনার প্রথম দুই বছর দেশে এবং শেষ দুই বছর জাপানের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘২+২’ একাডেমিক কর্মসূচির আওতায় এ সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করলে জাপানের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

আজ বেলা ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকে রাজধানীর হোটেল আমারি ঢাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে জাপানের একটি প্রতিনিধিদলের এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে একাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

প্রস্তাবিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত একাডেমিক যোগ্যতা ও কর্মসূচির কাঠামো পূরণ করতে পারলে শিক্ষার্থীরা স্নাতক সম্মান পড়াশোনার শেষ দুই বছর জাপানের অংশীদার প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করতে পারবেন। কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হলে সংশ্লিষ্ট জাপানি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ অর্জনেরও সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

জাপানের প্রতিনিধিদলে ছিলেন কিবিগাকুয়েন এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনের ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান ড. হিরোইউকি ইজিরি এবং প্রিফেকচারাল ইউনিভার্সিটি অব হিরোশিমার আঞ্চলিকভিত্তিক শিক্ষা গবেষণা সংস্থার পরিচালক অধ্যাপক ড. শিনজিরো ওগিতা।

এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহিম, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, প্রস্তাবিত ‘২+২’ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাড়াবে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য তাদের দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও জাপানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা ও শিক্ষার্থী চলাচলের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো জানান, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে তাদের আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।

আরও