বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার
নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির উত্তর দেয়া হচ্ছে। বাণিজ্য
সচিব তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, শ্রম আইন নিয়ে তাদের যেসব চাওয়া ছিল সেগুলো ফলোআপ করা
হচ্ছে। সবই যে বাস্তবায়ন হয়েছে তা নয়, কিছু প্রসেসিংয়ে রয়েছে। আশা করছি যা যা চাওয়া
হয়েছে, তা সময় মত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল
রোডস্থ নিজ বাসভবনে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিলটি নিয়ে
রাষ্ট্রপতির কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এখন সংসদ শেষ হয়ে গেছে, তাই পরবর্তী সংসদ এসে বিষয়টি
ঠিক করবে। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া। কখনো কখনো বিল পাসের পরও পরবর্তীতে সংযোজন-বিয়োজনের
প্রয়োজন পড়ে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি
নির্বাচনে না আসার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরপরও চারদিকে মানুষের
মাঝে ভোটের উৎসব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপি থেকেও অনেকে নির্বাচনে এসেছেন। আমরা আশা
করছি উৎসাহব্যঞ্জক, প্রতিযোগিতামূলক উপস্থিতির মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে আমার আসনে জাতীয়
পার্টির প্রার্থী থাকবেন সেই চিন্তা নিয়েই আমি নির্বাচনে নেমেছি। তিনি যদি নির্বাচন
থেকে চলে যান তাহলে আমাদের নেতাকর্মীরা যে জোরেশোরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে, মিটিং
করছে, তাদের মন ভেঙে যাবে। তারা ভোটে আনন্দ করুক, সংগঠিত হোক এবং নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ
হোক আমি সেটাই চাই।