ফেনীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একদিনে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুহুরীগঞ্জ ও মহিপাল ফ্লাইওভারের পশ্চিম পাশে দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে রাতে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের ফেনীর মুহুরীগঞ্জের দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি কাভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ে। পরে সেটি নিরাপদ স্থানে নিতে চালক ও হেলপার একটি লরি এনে কাভার্ডভ্যানে রশি সংযোগ করছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি ইউনিক পরিবহনের বাস পেছন থেকে কাভার্ডভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয়রা চারজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন, ইউনিক পরিবহনের বাসচালক ঢাকার কেরানীগঞ্জের মীরবাগ এলাকার আবুল হোসেন (৬২), বাসের সুপারভাইজার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গোসাইডাঙ্গা গ্রামের মো. শামীম হোসেন (৫৫), কাভার্ডভ্যানচালক চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা গ্রামের মো. আব্দুল আজিজ (৭১) এবং লরিচালক ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের মো. হোসেন (২৮)।
অন্যদিকে সকাল ৮টার দিকে মহাসড়কের মহিপাল ফ্লাইওভারের পশ্চিম পাশে চট্টগ্রামমুখী লেনে যাত্রী নামানোর সময় একটি বাসকে পেছন থেকে কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে বাসযাত্রী মো. তবারক আলী ফটিক (৫৪) নিহত হন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার সুন্দরপুর এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মুহুরীগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের এসআই আবু নোমান ও মহিপাল হাইওয়ে থানার ওসি মো. আসাদুল ইসলাম জানান, এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।