সিসিকের বর্ধিত ১২ ওয়ার্ড নিয়ে ৫৬ নাগরিকের আপত্তি

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত এলাকাকে বিন্যস্ত করে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলো সিলেট জেলা প্রশাসন। ওয়ার্ড নিয়ে আপিলের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ৮ মার্চ পর্যন্ত। ওই সময়ের মধ্যে কারো কোনো আপত্তি থাকলে জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করার আহ্বান জানানো হয়। নতুন এই ১২টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৯টি।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত ১২টি ওয়ার্ডের সীমানা চিহ্নিত নিয়ে ৫৬টি আপত্তি জমা পড়েছে। সিলেট জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখায় এ সব আপত্তির আবেদন করেন বাসিন্দারা। আবেদনগুলো যাচাই করে যেগুলোর যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যাবে সেসব আবেদন আমলে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৫৬টি আবেদন পড়েছে। এখনো সকল আবেদন পড়ে দেখা হয়নি। আবেদনের যৌক্তিকতা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত এলাকাকে বিন্যস্ত করে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলো সিলেট জেলা প্রশাসন। ওয়ার্ড নিয়ে আপিলের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ৮ মার্চ পর্যন্ত। ওই সময়ের মধ্যে কারো কোনো আপত্তি থাকলে জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করার আহ্বান জানানো হয়। নতুন এই ১২টি নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৯টি।

আয়তনে দেশের সবচেয়ে ছোট সিটি কর্পোরেশন সিলেট এর আয়তন ছিল মাত্র বর্ধিতকরণের পর ২৬.৫ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে বর্ধিত হওয়ার পর সিটি কর্পোরেশনের আয়তন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ বর্গ কিলোমিটারে।

এদিকে নতুন ১২টি ওয়ার্ড গঠনের মাধ্যমে বর্ধিত এলাকা চিহ্নিত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ওয়ার্ড গঠনের পর দেখা দিয়েছে বিপত্তি। ওয়ার্ডেও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে অসন্তুষ আছে বিভিন্ন এলাকায়। এরজন্য সভা সমাবেশও হয়েছে অনেক। সর্বশেষ জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৮ মার্চের মধ্যে প্রায় ৫৬টি আপত্তি জমা দিয়েছেন নাগরিকরা। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবেদনগুলোর বেশিরভাগই সীমানা নিয়ে। কেউ ওয়ার্ড বিস্তৃত করতে, আবার কেউ পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডে সংযুক্ত হতে আবেদন করেছেন। আবেদনগুলোতে নিজেদের যুক্তিও তুলে ধরেছেন আবেদনকারীরা।

আরও