ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ তিন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) নেতা শাহজাহান সাজু।
আজ এ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। তবে এর একদিন আগেই মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া আওয়ামী লীগের তিন নেতা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ওই প্রার্থীদের বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত থাকা একাধিক সূত্র জানায়, ওই সভা থেকেই আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে। এক্ষেত্রে উপনির্বাচনের এক বছর পরই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে তারা সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
এ অবস্থায় আসনটিতে কপাল খুলতে যাচ্ছে পদত্যাগের পর দল থেকে বহিষ্কার হওয়া বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, মূলত কৌশলগত কারণে এখানে প্রার্থী দেয়নি আওয়ামী লীগ। এ আসনে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা। আব্দুস সাত্তারের জয়লাভের মধ্য দিয়ে যেন এখানে তার ইমেজ ঠিক থাকে এর সুযোগ নিতে চায় আওয়ামী লীগ। কেননা আওয়ামী লীগ মনে করছে, আব্দুস সাত্তারের চেয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী রুমিন ফারহানা। পরবর্তী নির্বাচনে আব্দুস সাত্তার থাকলে আওয়ামী লীগের জন্য জয়লাভ সহজ হবে।