বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ চা উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ ভারত। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতেই পানীয় পণ্যটির সিংহভাগ উৎপাদন করছে দেশটি। এর মধ্যে অন্যতম পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও শিলিগুড়ি, যার পাশেই পঞ্চগড় জেলা। একই মাটি, একই প্রকৃতি। ২০০০ সালের দিকে তাই সেখানে চা চাষ শুরু করে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। কয়েক বছরের মধ্যেই নতুন কুঁড়িতে ভরে যায় সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়ার বিস্তীর্ণ গো-চারণ ভূমি। অনেকটা নীরবেই শুরু হয় এ সবুজ বিপ্লব।
একসময় পাশের জেলা ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরেও ছড়িয়ে পড়ে সমতলের চায়ের চাষ। সিলেট ও চট্টগ্রামের পার্বত্যাঞ্চলের পর উত্তরের এ ছয় জেলা এখন দেশের তৃতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী অঞ্চল। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে জনপ্রিয় পানীয় পণ্যটি যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। সমতল ভূমির এ চা শিল্প প্রথম দিকে দারিদ্র্যপীড়িত উত্তরাঞ্চলের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিলেও বর্তমানে সামনে আসছে নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুতই এসব দূর করতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে উত্তরের বিকাশমান শিল্পটি।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বার্ষিক ১০ কোটি ২০ লাখ কেজি। গেল বছর ছিল ১০ কোটি কেজি, যদিও বৈরী আবহাওয়া ও লাগাতার শ্রমিক আন্দোলনের কারণে ৯ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলের চার জেলার (পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী) সমতল ভূমিতে চা উৎপাদিত হয়েছে রেকর্ড ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার কেজি, যা আগের মৌসুমের চেয়ে ৩২ লাখ ২০ হাজার কেজি বেশি, আর জাতীয় উৎপাদনের ১৯ শতাংশ। তার আগের বছর ২০২১ সালে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ ও ক্ষুদ্রায়তন বাগানে উৎপাদিত হয় ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা। আগের মৌসুমের চেয়ে যা ৪২ লাখ ৪০ হাজার কেজি বেশি, আর জাতীয় উৎপাদনের ১৫ শতাংশ। সে হিসেবে প্রতি বছরই বাড়ছে সমতলের চা উৎপাদন।
পাহাড়ের চা বাগানের সঙ্গে সমতলের পার্থক্য হলো এখানে যে কেউ নিজস্ব জমিতে চায়ের আবাদ করতে পারেন। ২৫ একরের বেশি ভূমি চা চাষের কাজে ব্যবহৃত হলেই চা বোর্ড থেকে বাগান হিসেবে নিবন্ধন দেয়া হয়। প্রতি বছরই উত্তরাঞ্চলে ৪০০-৫০০ হেক্টর জমিতে পণ্যটির চাষ বাড়ছে। বর্তমানে বিশেষ প্রকল্প চলমান থাকায় আগামীতে সমতলের চায়ের উৎপাদন আরো বেড়ে দেশীয় উৎপাদনের এক-পঞ্চমাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রশিক্ষিত শ্রমিক সংকট ভালোমানের চা উৎপাদনের প্রধান অন্তরায় বলে মনে করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।
তারা জানান, উত্তরবঙ্গের চা চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে ভিন্ন। সাধারণ কৃষির মতোই এর চাষ করা হয়। আর স্বাভাবিক নিয়মে পিক সিজনে প্রতি সাত-আটদিন ও অফ সিজনে ১-১১ দিনের মধ্যে পাতা সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু তীব্র শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক সময় ৩০-৪০ দিনেও বাগান থেকে চা পাতা উত্তোলন সম্ভব হয় না। ফলে সারা দেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের চেয়ে পিছিয়ে সমতলের বাগানগুলো। একসময় উত্তরবঙ্গে চা কারখানা ছিল হাতেগোনা কয়েকটি। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ২৫টিতে উন্নীত করেছে চা বোর্ড। চাষীরা এসব কারখানায় নির্ধারিত দামে কুঁড়ি বিক্রি করেন।
সিলেটের পর চা উৎপাদনে দ্বিতীয় অঞ্চল হয়ে উঠেছে পঞ্চগড়। তবে চা চাষের ২২ বছর পার হলেও শ্রমিকের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। সাধারণত বলা হয়, এ জেলায় ২০-২৫ হাজার নারী-পুরুষ চা শ্রমিকের কাজে যুক্ত। পাথর ও কৃষি শ্রমিক এবং দিনমজুররাই মূলত চুক্তির ভিত্তিতে বাগান থেকে চা পাতা উত্তোলন করেন। আছে নানা অব্যবস্থাপনা। নিম্ন মজুরি, মজুরি বৈষম্য ছাড়াও বেশির ভাগ বাগানে নেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা। দাবি আদায়ে কোনো সংগঠনও গড়ে ওঠেনি। ফলে সিলেট-মৌলভীবাজারের মতো আন্দোলনের কোনো প্রভাব নেই এ অঞ্চলে।
চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড়ে নিবন্ধিত বড় চা বাগান রয়েছে আটটি—স্যালিলেন, ডাহুক, কাজী অ্যান্ড কাজী, করতোয়া, হক, এমএমটি, ট্রিপল জেড ও জেড অ্যান্ড জেড টি এস্টেট। এর বাইরে অনিবন্ধিত বড় চা বাগান রয়েছে আরো ২০টি। নিবন্ধিত ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান আছে ১ হাজার ১৬৮টি ও অনিবন্ধিত ছয় হাজার। সব মিলিয়ে এ জেলায় প্রায় ৯ হাজার ৭৪৭ একর জমিতে এবার চা চাষ হয়েছে।
শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চা পাতা উত্তোলনের মৌসুম। বেশির ভাগ বড় বাগানে ৩০ কেজি চা পাতা তোলার জন্য বয়স ভেদে পুরুষের ১৫০-১৭০ এবং নারীরা মজুরি পান ১২০-১৫০ টাকা। এর বেশি হলে প্রতি কেজিতে বাড়তি মিলে ২-৩ টাকা। সব মিলিয়ে সকাল-সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করে পুরুষরা প্রতিদিন চার-পাঁচশ এবং নারীরা তুলতে পারেন তিন-চারশ টাকা। তবে ক্ষুদ্র বাগানগুলোয় কোনো সময় বেঁধে দেয়া থাকে না, দিনের যেকোনো সময় প্রয়োজনে রাতেও চা পাতা তোলার কাজ করেন শ্রমিকরা।
সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বড় কামাত এলাকার চা শ্রমিক আব্দুল জব্বার বলেন, ‘মজুরি কম হলেও ১০ বছর ধরে এ কাজ করেই সংসার চালাচ্ছি। তবে আমাদের কত টাকা আয় হচ্ছে, কীভাবে চলছি এগুলোর কেউ খোঁজ নেয় না। কোনো ঈদ বোনাস নাই। বাগানের মালিকরা বলছেন চা পাতার দাম কম, সরকার দাম বাড়লে তারাও হাজিরা বাড়াবেন। এখন সে আশায় আছি।’
চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক শাখার উন্নয়ন কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, ‘সিলেট ও মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকের যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয় তা অবশ্য পঞ্চগড়ের শ্রমিকরা পায় না। এর পরও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর পাঁচ-ছয়শ চা শ্রমিককে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়।
উত্তরাঞ্চলের মানুষের কৃষিনির্ভরতা তুলনামূলক বেশি। চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ধান উৎপাদন হয় এ অঞ্চলের জেলাগুলোয়। উদ্বৃত্ত থাকে অন্যান্য ফসলও, যা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার চাহিদা মেটায়। কিন্তু অধিক লাভের আশায় কয়েক বছর ধরে কৃষক ঝুঁকছেন চা চাষে। কৃষিবিদরা বলছেন, অপরিকল্পিত চায়ের আবাদ হুমকিতে ফেলতে পারে দেশের খাদ্যনিরাপত্তাকে।
অধিক মুনাফার আশায় তিন ফসলি জমিতে চা চাষ করে বিপাকে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের চাষীরা। বালিয়াডাঙ্গীর রাঞ্জাউনে সাত বছর আগে ২০ একরে চা বাগান করেছেন আইয়ুব আলী, যার বেশির ভাগই তিন ফসলি জমি। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে চায়ের পাতার দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি, এখন তা ১৫-২০ টাকায় নেমে এসেছে। যে হারে কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ বেড়েছে তাতে পাতা বিক্রি করে আর লাভ মিলছে না। অন্যদিকে দানাদার ফসলের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।’
চা বাগানীদের অভিযোগ, উত্তরাঞ্চলের বেশির ভাগ চাষীর ছোট বাগান। ফলে বাধ্য হয়েই কারখানাগুলো পাতার যে দাম নির্ধারণ করে দেয় তা দিয়ে বিক্রি করতে হয়। মূলত পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ের চা বাগানগুলো ঘিরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তারাই পাতার দাম কমিয়ে রাখে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলায় মোট ২৪১ দশমিক ৭১ হেক্টর জমিতে চা চাষ করা হচ্ছে। অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের ভৌগোলিক ও ভূমি অবস্থান ভালো। এখানকার মাটিতে যেমন অন্যান্য ফসল ভালো হয় তেমনি চায়ের জন্যও খুব উপযোগী। তবে যে জমিতে ফসল ভালো হয় না এবং নদী অববাহিকায় চা চাষ করা হলে কৃষক বেশি লাভবান হবেন।’
লালমনিরহাটের প্রথম চা চাষী ফেরদৌস আলম ও সাহানারা বেগম সোমা দম্পতি ২০০৬ সালে তিন একর জমিতে চা বাগান করে সফল হন। এর পরই জেলাটি বাংলাদেশ চা বোর্ডের নজরে আসে। চাষীদের চা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে ২০০৭ সালে নেয়া হয় পাইলট প্রজেক্ট। এখন জেলার পাঁচ উপজেলায় ১২৪ চাষী মোট ২৩৪ দশমিক ৯৩ একর জমিতে চা চাষ করছেন।
সোমা টি এসটেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফেরদৌস আলম বলেন, ‘আমাদের মোট নয় একর জমিতে চা বাগান রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার চাষীদের কথা চিন্তা করে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৪ সালে একটি চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানা দিয়েছিলাম। কিন্তু বিদ্যুতের লো ভোল্টেজের কারণে দীর্ঘ পাঁচ বছর সেটি চালাতে পারিনি। এখন সে সমস্যা কেটে গেলেও মূলধনের অভাবে বন্ধ রয়েছে। এ জেলায় উৎপাদিত চা পাতা পঞ্চগড় ও দেবীগঞ্জে নিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়ায় পাতার রঙ নষ্ট হয়ে যায়। তাই ৮-১০ শতাংশ ওজন ছেড়ে দিতে হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতি কেজি পাতা ১৫-১৬ টাকা হলেও প্রকৃতপক্ষে চাষীরা পাচ্ছেন মাত্র ১১-১২ টাকা।’
চায়ের চাষ বিস্তার লাভ করেছে রংপুর জেলায়ও। গেল বছর সবুজ পাতা উৎপাদন হয়েছে ৪০ হাজার কেজি। এ জেলায় ২০১৮ সালে চা চাষের শুরুটা করেছিলেন চিকিৎসক মো. মীর হোসেন। সদর উপজেলার হরকলি গ্রামে তার চায়ের বাগান। ডা. মীর হোসেন জানান, স্থানীয় নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তিনি দক্ষ করেছেন। প্রতি কেজি পাতা উত্তোলনে এখন তাদের দেয়া হয় ৩ টাকা করে। চায়ের বাগান করার ইচ্ছে নিয়ে মাঝেমধ্যেই অনেকে তার বাগান দেখতে আসছেন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এদিকে সিনহা গ্রুপও জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় তিন একর জমিতে চায়ের বাগান গড়েছে। উপজেলার সয়ার ডাঙ্গাপাড়ার বাসিন্দা সঞ্চয় রায়ও ২০১৮ সালে সোয়া একর জমিতে চায়ের বাগান করেছেন। যেখানে আগে তিনি ভুট্টা, পাট ও গম আবাদ করে বছরে ১ লাখ টাকা আয় করতেন, এখন চা বাগানের মাধ্যমে লাভ থাকছে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা।
তবে রংপুর বিভাগে চায়ের জমি নির্বাচনে এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি বলে মনে করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। উদ্যান বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ খোন্দকার মেসবাহুল ইসলাম এ বিষয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এ বিভাগ খাদ্যশস্য উদ্বৃত্ত অঞ্চল, যা স্থানীয় মানুষের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্য এলাকার চাহিদা পূরণে অবদান রাখছে। তাই ধান, আলু ও ভুট্টাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জমি যদি চায়ের আবাদের জন্য ব্যবহৃত হয় তাহলে প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিরুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সমতলের শ্রমিকরা চুক্তিভিত্তিক মজুরিতে চা বাগানে কাজ করেন। এখানে সিলেট-চট্টগ্রামের মতো ট্র্যাডিশনাল শ্রমিক নেই। ফলে উত্তরাঞ্চলের চা খাতের যে অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল সেটি এখনো অর্জন হয়নি। তবে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন ছাড়াও শ্রমিকনির্ভরশীলতা কমিয়ে যান্ত্রিক উৎপাদনে যেতে পারলে সমতলের বাগানগুলো দেশের চা খাতে আরো বেশি অবদান রাখবে।’
জানতে চাইলে চা বোর্ডের উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পঞ্চগড়সহ সমতলের চা খাতের শ্রমিক সংকটই এখন প্রধান সমস্যা। সেখানে শ্রমিকরা খণ্ডকালীন চা উত্তোলনের কাজ করেন। ধান চাষ কিংবা দেশের প্রধান কৃষি মৌসুমে চা শ্রমিকের সংকট আরো বেড়ে যায়। ক্ষুদ্রচাষীরা তখন নিজের পরিবার নিয়ে চা উৎপাদনের সার্বিক কাজ চালিয়ে নেন। তবে বৃহৎ পরিসরে অর্থাৎ বাগানভিত্তিক উদ্যোক্তারা শ্রমিক সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাচ্ছেন না।’
প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি মো. হারুন অর রশিদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম হোসেন, রংপুর প্রতিনিধি এসএম পিয়াল