গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। মুক্তিযুদ্ধকে তরান্বিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। অথচ গত ৫০ বছরেও আমরা সংবাদকর্মীদের যথাযথ স্থান ও মর্যাদা দিতে পারিনি। আজ রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় এসব কথা বলেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতন ও পৈশাচিকতা, মুক্তিকামী মানুষের লড়াই, পাকিস্তানি বন্দি শিবিরে বঙ্গবন্ধুকে নিপীড়ন ও নির্যাতনের কথা দেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। মুক্তিযুদ্ধকে তরান্বিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু গত ৫০ বছরেও আমরা সংবাদকর্মীদের যথাযথ স্থান ও মর্যাদা দিতে পারিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাব-এডিটররা সাহসিকতার সঙ্গে রসবোধ ও সাহিত্যবোধ দিয়ে একটি সংবাদকে পাঠক বা শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরতে বিরাট ভূমিকা পালন করেন। তারা সারা দিন-সারা রাত কাজ করেন, পরিবারেও অনেকে সময় দিতে পারেন না। ফলে বাইরে সংগঠন গোছানোর সুযোগ সাব-এডিটরদের কম।
এসময় কাউন্সিলের সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন। ডিজিটাল প্লাটফর্মে সংগঠিত হয়ে দেশের গণমাধ্যম গঠনে আপনারা কাজ করবেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাবে, এ ক্যানভাস আরো বড় এবং সমৃদ্ধ হবে বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।
সংগঠনের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপিত ওমর ফারুক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দীপ আজাদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।