১৩ ব্যাংক থেকে কেনা হলো ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার

দেশে চলতি মাসের প্রথম আটদিনেই প্রবাসী আয় এসেছে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। ফলে ব্যাংকগুলোয় ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। দাম ধরে রাখতে আবার ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশে চলতি মাসের প্রথম আটদিনেই প্রবাসী আয় এসেছে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার। ফলে ব্যাংকগুলোয় ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। দাম ধরে রাখতে আবার ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১৩টি ব্যাংক থেকে গতকাল কিনেছে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডলার কেনার বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে ৩০ হাজার কোটির বেশি টাকা দিয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রাটির দর স্থিতিশীল থাকার পাশাপাশি বাজারে টাকার সরবরাহ বেড়েছে। যদিও ডলার কিনে বাজারে টাকা সরবরাহ করায় মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

মুদ্রাবাজারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পর ডলারের দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৩ জুলাই ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থাৎ ডলারের দর যাতে কমে না যায় সেজন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনা হচ্ছে।

এ তথ্য জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বাজার স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা দরে মঙ্গলবার ১৩ ব্যাংকের কাছ থেকে কেনা হয়েছে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার।’ আগের মতোই বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এ ডলার কেনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকে হঠাৎ করেই ডলারের দর কমতে শুরু করে। একসময় তা ১২১ টাকা ৫০ পয়সার নিচে নেমে আসে। তাই দাম ধরে রাখতে নিলামে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১৩ জুলাই থেকে মাল্টিপল প্রাইস অকশনের মাধ্যমে ডলার কেনার কার্যক্রম শুরু হয়। চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৫১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও