নেত্রকোনা

বজ্রপাতে পৃথক স্থানে তিন কৃষকের মৃত্যু

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস জানান, দাফনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক মৃতব্যক্তির পরিবারকে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।

নেত্রকোনার হাওর উপজেলা খালিয়াজুরীতে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিন জন কৃষক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন একজন। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল থেকে সন্ধ্যা নাগাদ বজ্রপাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন,উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সমীর আলীর ছেলে নিজাম উদ্দিন (২৫),কৃষ্ণপুর গ্রামের রমজান মিয়ার ছেলে কবীর হোসেন (৪০) ও হায়াতপুর গ্রামের রসিক সরকারের ছেলে রাখাল সরকার (৬০)। এ সময় বজ্রপাতে আহত হয়েছেন, রসুলপুর গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে রনু মিয়া (৩০)।

স্থানীয়দের বরাতে খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন জানান, বিকাল সোয়া ৫টার দিকে রসুলপুর গ্রামে ধনু নদীর পাড়ে হাওর থেকে বোরো ধান কেটে আনার পর তা শুকানোর সময় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। তখন বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়ে নিজাম উদ্দিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় রুনু মিয়া আহত হন। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

কৃষ্ণপুর ইউৃনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম মোড়ল জানান, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির সামনের হাওরে ধান কাটতে গেলে বজ্রসহ বৃষ্টির কবলে পড়েন কবীর হোসেন। তখন বজ্রপাতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে সন্ধ্য পৌনে ৭টার দিকে মারা যান তিনি।

এছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষেদের সদস্য ওমর চৌধুরী জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দিকে হায়াতপপুর গ্রামে হাওর থেকে রাখাল সরকার গরু আনতে যান রাখাল সরকার। এ সময় সেখানে বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস জানান, দাফনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক মৃতব্যক্তির পরিবারকে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।

আরও