শাহ আমানত বিমানবন্দর

চট্টগ্রামে একদিনে বাতিল ১১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষত আবুধাবি, শারজা, দুবাই ও দোহাগামী সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হামলার বিপর্যস্ত মধ্যপ্রাচ্যে। এ অঞ্চলের দেশগুলোয় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একদিনে আরো ১১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৫দিনে মোট ৪৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হলো।

শাহ আমানত বিমানবন্দর সূত্র জানায়, দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা এয়ারফিল্ড বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে।

আজ বাতিল হওয়া আগমনী (অ্যারাইভাল) ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি, ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি এবং এয়ার আরাবিয়ার তিনটি ফ্লাইট। অন্যদিকে বহির্গামী (ডিপার্চার) ফ্লাইটের মধ্যে বাতিল হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি, ইউএস বাংলার একটি এবং এয়ার আরাবিয়ার তিনটি ফ্লাইট।

এদিকে বিমান চলাচল বন্ধ থাকলেও মধ্যেপ্রাচ্যের দেশ ওমানের মাস্কাট রুটে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে। সালাম এয়ারের ফ্লাইট ওভি-৪০১ সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। পরে ওভি-৪০২ ফ্লাইট সকাল ৯টায় যাত্রী নিয়ে মাস্কাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে। অন্যদিকে বিমানের মদিনা থেকে আগত বিজি-১৩৬ ফ্লাইট সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে অবতরণ করে এবং সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেয়। একইভাবে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের মাস্কাট থেকে আগত বিএস-৩২২ ফ্লাইট সকাল ৯টায় অবতরণ করে এবং সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বণিক বার্তাকে জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষত আবুধাবি, শারজা, দুবাই ও দোহাগামী সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। আজ ১১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে মোট ৪৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সংশ্লিষ্ট গন্তব্য বিমানবন্দরগুলো বন্ধ থাকায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন থাকতে পারে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ রইল।

আরও