মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি

আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার নিখেঁাজ ৩

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনায় আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলারডুবির ঘটনায় আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে নদীর ভৈরব প্রান্তে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পাশ থেকে দুজন এবং আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছ থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিয়ে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। তবে ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ট্রলারের তিন যাত্রী।

মৃতরা হলেন নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানার মেয়ে মাহমুদা, কিশোরগঞ্জের রূপা দে এবং নরসিংদীর বেলাব উপজেলার কলেজছাত্রী আনিকা।

ভৈরব আশুগঞ্জ নৌবন্দরের উপপরিচালক মো. রেজাউল করিম জানান, সকাল থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চলিয়েছেন ডুবুরিরা। দুপুরে তিনজনের মরদেহ পাওয়া যায়। এর আগে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ। তবে ট্রলারের ভেতরে তখন কাউকে পাওয়া যায়নি। মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করবে নৌ-পুলিশ। নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে কাজ করছেন ডুবুরিরা।

এর আগে শুক্রবার বিকালে মেঘনা নদীর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু ঘাট থেকে একটি ট্রলারে ২০ জন নরসিংদীর আশুগঞ্জ প্রান্তে চর সোনারামপুর পরিদর্শনে যান। ফেরার সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু এলাকায় একটি বালুবাহী বাল্কহেড পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ট্রলারটি ডুবে যায়। সময় স্থানীয়রা ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন।

আরও