ভরা মৌসুমেও চাঁদপুরে ইলিশের ডিম ৬ হাজার টাকা কেজি

চাঁদপুরে ভরা মৌসুমে ইলিশের পাশাপাশি এ মাছের ডিমের দামও বেড়েছে।

বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায়। মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, আড়তে মাছের সরবরাহ কম হওয়ায় ডিমের দাম বেড়ে গেছে। তবে দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা ফিরে যাচ্ছেন খালি হাতে।

সরজমিন বড় স্টেশন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, ১৫টি নোনা ইলিশ ও ডিমের আড়তের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুটি সীমিত পরিসরে চলছে। কর্মচারীরা অল্পসংখ্যক নরম ইলিশ কেটে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন। মাছের ডিম আলাদা করে প্লাস্টিকের বাক্সে রাখা হচ্ছে। তবে মাছের সরবরাহ কম থাকায় ডিমের পরিমাণও অনেক কম।

জানা গেছে, নরম ইলিশ লবণ দিয়ে বিভিন্ন ধাপে প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। একইভাবে মাছের ডিমও আলাদা করে সংরক্ষণ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়। ইলিশের ডিম কিনতে আসা ক্রেতা আ. লতিফ বলেন, ‘ইলিশ মাছের দাম অনেক বেশি। তাই ভাবছিলাম অন্তত ডিম কিনব। কিন্তু ডিমের দামও নাগালের বাইরে। এক কেজি ডিমের জন্য ৬ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। এত টাকা দিয়ে ডিম কেনার সামর্থ্য নেই। তাই খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে।’ ইলিশের আড়তদার মো. সম্রাট বলেন, ‘মাছঘাটে ইলিশের ডিমের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু মাছ কম আসায় ডিমেরও সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে নোনা ইলিশ প্রতি মণের দাম ৬৮-৭০ হাজার টাকা। তাই ডিমের কেজি ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মানিক জমাদার বলেন, ‘মাছের আহরণ কমে যাওয়ায় ডিমের দামও বেড়েছে। এ কারণে বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ইলিশের ডিম ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’

আরও