মোবাইল সেবার মানে বিশ্বে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে থাকার লক্ষ্য বাংলাদেশের -টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা

গ্রাহকের অধিকার ও সেবার মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের সেবার মান উন্নয়নে এরই মধ্যে পাঁচ হাজার কিলোমিটার ড্রাইভ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে।

এক বছরের মধ্যে মোবাইল সেবার মানে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে নেয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন, ‘সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম মোবাইল বাজার হলেও সেবার মানের দিক থেকে অবস্থান ৯৩তম। দুই ক্ষেত্রেই শীর্ষ ১০-এ আসতে চায় সরকার।’

ইশতাহারে বর্ণিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা।

গ্রাহকের অধিকার ও সেবার মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের সেবার মান উন্নয়নে এরই মধ্যে পাঁচ হাজার কিলোমিটার ড্রাইভ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। চালু করা হয়েছে ৬৩টি নতুন সাইট। ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই ও ভয়েস ওভার এলটিইর মতো আধুনিক প্রযুক্তিও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গ্রাহক যাতে উন্নত নেটওয়ার্ক, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ ও ভালো সেবা পান, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। আধুনিক স্পেকট্রাম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ তরঙ্গ ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নে কাজ চলছে।’

কলড্রপ ও মোবাইল ডেটা প্যাকেজ নিয়েও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সাতদিনের ডেটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অব্যবহৃত ডেটা বা অর্থ থাকলে আরো এক-দুদিন ব্যবহারের সুযোগ দেয়া যায় কিনা সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘মোবাইল সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্য সরকার একা অর্জন করতে পারবে না; এজন্য মোবাইল অপারেটরদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অপারেটরদের প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম ও ব্যাকহল সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সাধ্যমতো কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘ফাইভ জি চালু করা শুধু অ্যান্টেনা পরিবর্তনের বিষয় নয়। এর জন্য কোর নেটওয়ার্কের পরিবর্তন, পর্যাপ্ত ব্যাকহল এবং প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম, বিশেষ করে লো-ব্যান্ড স্পেকট্রাম প্রয়োজন।’

আরও