ইউরোপের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশের রফতানি

ইউরোপের অস্থিরতা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং তা আমদানি চাহিদাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে মনে করেন রফতানি খাতসংশ্লিষ্টরা।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থেকে ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংস বিক্ষোভ। ১৭ অক্টোবর প্যারিস, লিওঁ, মার্সেই, লিমোজসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, দোকানপাটে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে দেড় শতাব্দী পুরনো লিমোজের ঐতিহ্যবাহী সিটি হল।

একই দিন ইতালির মিলানেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে। শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ক্রেতা ও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকা পিয়াজ্জা দেল দুয়োমো ও এর পাশের বিলাসপণ্যের বিপণিবিতান খালি হয়ে যায়।

ফ্রান্স ও ইতালির পাশাপাশি বেলজিয়াম ও পর্তুগালেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।

বাংলাদেশের পোশাক রফতানির অন্যতম বাজার ইউরোপ। সেখানকার বিভিন্ন দেশে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে রফতানিতে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন রফতানিকারকরা। বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রফতানির প্রায় অর্ধেকের গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজার। ফলে ইউরোপে ভোক্তাদের ব্যয় ও ক্রয় আচরণে পরিবর্তন এলে বাংলাদেশের রফতানিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্যদিকে ইউরোপের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধির গতি ধীর। এ অবস্থায় নতুন করে অনিশ্চয়তা বাড়লে দেশের পোশাক রফতানি চাপে পড়তে পারে। এ ঝুঁকির ক্ষেত্রে ইউরোপের পরিস্থিতির পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

তবে ইউরোপের অস্থিরতা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং তা আমদানি চাহিদাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে মনে করেন রফতানি খাতসংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পর্যটকরা সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা। অস্থিরতার কারণে পর্যটন ও মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হলে পণ্য বিক্রিতে প্রভাব পড়তে পারে। ফলে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে এবং ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।’

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পোশাক রফতানির ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ গেছে ইইউর দেশগুলোয়। এ সময়ে বাজারটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি হয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি ডলারের, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ কম।

ইইউর বড় বাজারগুলোর মধ্যে জার্মানিতে বাংলাদেশের মোট পোশাক রফতানির ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ, স্পেনে ৯ দশমিক ৩১, নেদারল্যান্ডসে ৫ দশমিক ৬১, ফ্রান্সে ৫ দশমিক শূন্য ৯ এবং ইতালিতে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ গেছে।

বছরওয়ারি হিসাবে জার্মানিতে রফতানি কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ, ফ্রান্সে ৮ দশমিক ৭৪ ও ইতালিতে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে ইউরোপের এসব বড় বাজারে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার পাশাপাশি এর আগেই চলা রফতানি মন্দার বিষয়টিও বাংলাদেশের পোশাক রফতানিকারকদের চাপে রেখেছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের পরিসংখ্যানে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ইইউর দেশগুলোয় তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে ৪৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে স্পেনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ, নেদারল্যান্ডসে ৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, পোল্যান্ডে ৫ দশমিক ৭৭ ও সুইডেনে ১৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

বিপরীতে ফ্রান্সে রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, ইতালিতে ৫ দশমিক ৮২ এবং জার্মানিতে দশমিক ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে রফতানি বাড়লেও ইইউর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে বাংলাদেশের রফতানি এখনো নিম্নমুখী। এর মধ্যে ফ্রান্স ও ইতালিতে চলছে সহিংস অস্থিরতা।

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে তৈরি পোশাকের অন্যতম বৃহৎ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান এমএস ডায়িং প্রিন্টিং অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ইউরোপের বর্তমান অস্থিরতার প্রভাব তারা অনুভব করছেন।

বণিক বার্তাকে মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ‘সেখানকার পরিস্থিতি আমরাও ফিল (অনুভব) করছি। আমাদের কাছে এখন অর্ডার তুলনামূলক কম। নিয়মিত যা থাকে, তার চেয়ে এ মুহূর্তে কম আছে। বর্তমান যে অস্থিরতা, সেটা নতুন। কিন্তু তার আগে মন্দা পরিস্থিতির কারণে অর্ডার কম ছিল। আমাদের কারখানা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ রকম পরিস্থিতিতে পড়েনি।’

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্ডার কমে যাওয়ার পেছনে বর্তমান অস্থিরতার সুনির্দিষ্ট প্রভাব কতটা, তা এখনই আলাদা করে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে রফতানি খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

ইউরোপভিত্তিক বড় পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয়কৌশলে পরিবর্তন আসছে। এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স ও প্রাইমার্কের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশের একটি অংশ ভারত, মিসরসহ অন্যান্য গন্তব্যে সরিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পসংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, একক কোনো দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন ও পণ্য সংগ্রহের উৎসে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি ক্রয়মূল্য, সরবরাহের সময় ও উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় নিচ্ছেন ক্রেতারা।

দেশের রফতানিকারকদের মতে, এ পরিবর্তনের পেছনে বৈশ্বিক চাহিদায় মন্থরতা ও ক্রেতাদের ব্যয় সাশ্রয়ের উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যয় ও জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তাও ভূমিকা রাখছে। ভারতসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোয় তুলনামূলক কম দামে পণ্য উৎপাদন এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য সুবিধা বাড়ার সম্ভাবনাও ক্রয়াদেশ বণ্টনে প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে এখন ইউরোপে অস্থিরতা ক্রেতাদের ক্রয়প্রবণতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন শিল্পোদ্যোক্তারা।

ইউরোপের অস্থিরতার সম্ভাব্য প্রভাবের চেয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে বেশি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (ইউরোচেম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ইউরোপের অস্থিরতা বাংলাদেশের রফতানিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বিশ্বজুড়েই ব্যবসা ও বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়তে পারে। রাজনৈতিক মেরুকরণ, বিভিন্ন দেশে আসন্ন নির্বাচন, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে চাপ বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।’

বাংলাদেশের পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে নুরিয়া লোপেজের বড় উদ্বেগ অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে। তার মতে, বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, শ্রম অসন্তোষ, মজুরি নিয়ে বিরোধ এবং ব্যবসার পরিবেশে স্থিতিশীলতার অভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের কাছে স্থিতিশীলতার শক্তিশালী বার্তা দিতে হবে বাংলাদেশকে। একই সঙ্গে ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করাও গুরুত্বপূর্ণ। এতে ইউরোপের কাছে বাংলাদেশ যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার, সেই বার্তা দেয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা, রফতানি কার্যক্রমের নিরাপত্তা এবং সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জরুরি। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে ভারতের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কটনভিত্তিক পণ্যের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ থেকে ভারতে সরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ইউরোপের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে।’

ইইউর পোশাক আমদানির পরিসংখ্যানেও বাংলাদেশের রফতানির ওপর চাপের চিত্র দেখা যাচ্ছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি-আগস্টে ইইউর দেশগুলোয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পোশাক আমদানি এ সময়ে কমেছে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানির মূল্য ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৪৫ লাখ ইউরো থেকে কমে ১ হাজার ১৯২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো হয়েছে। অর্থাৎ আট মাসে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানি হ্রাসের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমার হার প্রায় তিন গুণ।

নিট পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ইউরোপের অস্থির পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা বাংলাদেশের রফতানির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হবে। এমনিতেই ইউরোপের বাজারে বিক্রি কমেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতির অবনতির প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে।’

ইউরোপের পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের রফতানির ঝুঁকি নিয়ে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক গতকাল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এটাও ঠিক, এতে শুধু বাংলাদেশের রফতানি কমবে না। যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রফতানি করে, তাদের সবার ওপরই প্রভাব পড়তে পারে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে তেলের দাম। আবার শীতকালে ইউরোপে গ্যাসের চাহিদা ও দাম বাড়তে পারে। মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বর্তমান অস্থিরতা—এ দুটি বিষয় বিবেচনায় নিলে আমার মনে হয়, সামনের দিনগুলোয় ইউরোপের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে একটা সংকোচন থাকবে।’

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে র‍্যাপিড চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উদ্বেগটা বেশি হওয়ার কারণ আমাদের বাজারের ঘনত্ব। ইইউর বাইরে আমাদের বড় কোনো বাজার গড়ে ওঠেনি।’

ইউরোপের অস্থিরতাকে সরাসরি বাজার সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এ ধরনের অস্থিরতা মূলত সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। কোনো দেশে অস্থিরতা দেখা দিলেই যে আমদানি কমবে, তা নিশ্চিত নয়। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের রফতানি বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘প্রলম্বিত হলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা আসলে আগে থেকে অনুমান করা যায় না। ব্যবসা-বাণিজ্যে এ ধরনের সংকট আসতেই থাকবে। আমাদের রফতানিকারকদের এগুলো মোকাবেলা করতে শিখতে হবে এবং সম্ভাব্য সংকটের জন্য সবসময় প্রস্তুতি রাখতে হবে।’

আরও