সুশাসনের দিক থেকে একটি অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসতে হলে তাদের জন্য বিশেষ ছাড় ও সহজ শর্তের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কারণ ব্যাংকগুলো এ ধরনের আর্থিক দায় নিজেরা লাভ-ক্ষতির হিসাবে বহন করতে পারবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গ্রিন ফাইন্যান্স’ বা পরিবেশবান্ধব অর্থায়নের যে সুবিধাগুলো রয়েছে, অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বর্তমানে সেগুলোর সুফল নিতে পারছে না। তাই এ প্রক্রিয়াকে আরো সহজ ও সাবলীল করা প্রয়োজন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে কর্মকর্তা রদবদলের হার অনেক বেশি। আজ যিনি দায়িত্ব পালন করছেন, কাল সেখানে অন্য কাউকে দেখা যাচ্ছে। অথচ এ ধরনের কাজে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।
পেশাগতভাবে দক্ষ কর্মকর্তাদের দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্বে রাখা গেলে পরিবেশবান্ধব তহবিলে অর্থের প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব হবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও আরো মসৃণ হবে। এর ফলে অর্থায়ন পাওয়ার পথ সহজ হবে। একই সঙ্গে অর্থায়নের খরচ বা সুদের হার কমে এলে আরো বেশি প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব তহবিলের সুবিধা নিতে উৎসাহিত হবে, যা আমাদের চারপাশকে আরো সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে সহায়তা করবে।