পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি, মুখ্যমন্ত্রী আটক

সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় গতকাল প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার এ জরুরি অবস্থা জারি করে।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় গতকাল প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার এ জরুরি অবস্থা জারি করে। এর পর পরই রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি ও ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়। এর ফলে ওই প্রদেশের পিটিআই পরিচালিত সরকারের সব কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে গভর্নরের শাসন জারি হলো। খবর আল–জাজিরা ও নিউজ এইটিন।

গতকাল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে দিনের শুরুতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেয়া সুপারিশ তিনি অনুমোদন করেছেন।’

শাহবাজ শরিফের দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সদস্যরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন এবং ‘সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই থেকে প্রাদেশিক সরকারের ইচ্ছাকৃতভাবে সরে থাকার’ বিষয়টি আমলে নিয়েছেন।

কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে তার দল পিটিআই নেতাকর্মীরা খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশ থেকে ৪ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন। এখনো লংমার্চ খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই অবস্থান করছে। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে তার দল পিটিআই ও কেন্দ্রীয় সরকারের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে শনিবার প্রেসিডেন্ট ভবনে আসিফ আলী জারদারির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বৈঠক করেন। বৈঠকের পর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনা জোরালো হয়।

অন্যদিকে পিটিআই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, জরুরি অবস্থা জারি কিংবা গভর্নরের শাসন পাখতুনখাওয়ায় কোনো সমস্যার সমাধান আনবে না।

আরও