প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার
ক্ষমতাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা
করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া
অব্যাহত থাকায় দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী
স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে
হত্যার পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বারবার বাধাগ্রস্ত হয় এবং স্থিতিশীলতার অভাবের কারণে
বাংলাদেশ এর আগে খুব একটা অগ্রগতি দেখতে পায়নি।
সরকারপ্রধান বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশের
মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী পরিকল্পনা
নিয়ে সবকিছু করেছি। আমরা এডহক ভিত্তিতে কিছুই করিনি। পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আমরা সবসময়
দেশের জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দেই।
প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন,
মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব) শামসুল আলম, প্রয়াত লেফটেন্যান্ট
এজি মোহাম্মদ খুরশীদ (মরণোত্তর), শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া (মরণোত্তর) এবং মোফাজ্জল
হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম।
‘সাহিত্য’ ক্যাটাগরিতে প্রয়াত ড. মোহাম্মদ
মাইনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন) (মরণোত্তর) এবং ‘সাংস্কৃতিক’ এবং ‘ক্রীড়া’ ক্যাটাগরিতে
যথাক্রমে পুরস্কার পেয়েছেন পবিত্র মোহন দে এবং এএসএম রকিবুল হাসান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর
‘সমাজ সেবা/জনসেবা’ বিভাগে এবং ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ ক্যাটাগরিতে বেগম নাদিরা জাহান
(সুরমা জাহিদ) এবং ড. ফেরদৌসী কাদরী পুরস্কার পেয়েছেন।
এর আগে ৯ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের
নাম ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পুরস্কার প্রাপ্তদের স্বর্ণপদক, সার্টিফিকেট এবং
সম্মানী চেক দেয়া হয়েছে।