বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কয়েক বছর আগে একটি আউটকাম বেজড কারিকুলাম তৈরি করেছিল এবং সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস সে অনুযায়ী পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ডিগ্রিগুলোকে অ্যাক্রেডিটেশন দেয়ার দায়িত্ব মূলত বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি। এটি সহজ কোনো প্রক্রিয়া নয়, যা আমরা রাতারাতি করে ফেলতে পারব। আমাদের উচ্চ শিক্ষায়ও বহু ধাপ রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজে উচ্চ শিক্ষা চালু আছে। এসব কিছু বিবেচনা করেই সামনে এগোতে হবে।
এরই মধ্যে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদানের জন্য ১০টি শর্ত ও ৬৩টি ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা অ্যাক্রেডিটেশন ম্যানুয়াল প্রকাশ করেছি। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত আছে। কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আমরা অ্যাক্রেডিটেশন দেয়া শুরু করব।
আমরা যেহেতু গ্লোবাল ভিলেজে বসবাস করছি আমাদের শিক্ষার কারিকুলাম অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী হতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ তৈরি করতে হবে, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ইউজিসি, সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক আরো বৃদ্ধি করতে হবে, পারস্পরিক চিন্তাভাবনার আদান-প্রদান থাকতে হবে, আলোচনার সুযোগ থাকতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন তাদের চাকরি খুঁজতে না হয়, বরং চাকরিই তাদের খুঁজে নেয়।
—অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা, সদস্য, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল