সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বহালের দাবিতে ফরিদপুরে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গা গোল চত্বরসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছেন। এ সময় ভাঙ্গা থানা, উপজেলা পরিষদে হাইওয়ে থানা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে থাকা কয়েকটি মোটরসাইকেলে।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধসহ তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ। নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী রোববার সকাল থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-খুলনা এবং ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের আটটি পয়েন্টে অবরোধ করা হবে। তবে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, সংবাদ কর্মীদের গাড়ি, কাঁচামালসহ পচনশীল পণ্যের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে। মঙ্গলবার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান সিদ্দিক মিয়া।
নির্বাচন কমিশনের গেজেটে ফরিদপুরের দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হয়। এর মধ্যে ফরিদপুর-৪ আসনের (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) ভাঙ্গা থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন বাদ দিয়ে ফরিদপুর-২ আসনের (নগরকান্দা ও সালথা) সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিভিন্ন সময় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে আসছে স্থানীয় জনতা।
৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে ভাঙ্গা গোল চত্বর ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে দশটি স্থান অবরোধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা। এতে রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অন্তত ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয় যানজট। আটকা পড়ে শত শত গাড়ি। ১০ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে চতুর্থ দিনের মতো সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।