খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

স্থানীয়দের বরাতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তালুকদার কমিউনিটি সেন্টারের কাছে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন মোস্তাকিন।এসময় চারটি মোটরসাইকেলে আসা আটজনের একটি দল তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে।

খুলনা নগরীতে ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল রাত সাড় ৮টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গার তালুকদার কমিউনিটি সেন্টারের পেছনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তাকিন (২৮) খুলনা সদর থানার আলকাতরা মিলের পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা শহিদুলের ছেলে। তিনি নগরের একটি ইলেকট্রিক দোকানের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। তবে কে বা কারা এবং কী কারণে মোস্তাকিনকে হত্যা করেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তালুকদার কমিউনিটি সেন্টারের কাছে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন মোস্তাকিন।এসময় চারটি মোটরসাইকেলে আসা আটজনের একটি দল তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, কারা কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা যেন খুনোখুনির এক ভীতিকর অঞ্চল হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যা নামলেই বাসিন্দাদের মধ্যে ভর করে আতঙ্ক।

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) অপরাধ তদন্ত বিভাগের তথ্য বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নগরে ২৪টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশান) এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, নগরের অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার। বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকদিন আগে আটটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও