বগুড়ায় স্বল্প পরিসরে ট্রেন চলাচল

স্বাভাবিক সময়ে বগুড়া স্টেশন হয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে আটটি ট্রেন চলাচল করেছে। এসব ট্রেনে ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৬ বার যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছেড়ে গেছে ট্রেন।

স্বাভাবিক সময়ে বগুড়া স্টেশন হয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে আটটি ট্রেন চলাচল করেছে। এসব ট্রেনে ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৬ বার যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছেড়ে গেছে ট্রেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তরা বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাংচুর করে। ২০ জুলাই থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকা, লালমনিরহাট, সান্তাহারসহ সব রেলপথে বন্ধ রাখা হয় ট্রেন চলাচল। টানা ১২ দিন পর গতকাল মাত্র দুটি ট্রেন চালু হয়েছে। স্বল্প পরিসরে ট্রেন চালু করায় অনেকে সরকারি এ পরিষেবা বঞ্চিত হবে বলে মনে করেন ট্রেনের ওপর নির্ভরশীল যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে বগুড়া স্টেশন হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব ও পশ্চিমে আটটি ট্রেন কমপক্ষে ১৬ বার যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করেছে। এসব ট্রেনের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি আন্তঃনগর, দুটি মেইল এবং একটি লোকাল ট্রেন। আন্তঃনগর তিনটি ট্রেন ঢাকা থেকে বগুড়া স্টেশন হয়ে রংপুর, লালমনিরহাট ও বুড়িমারী রুটে চলাচল করে। অন্য দুটির মধ্যে একটি সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় এবং অন্যটি সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট রেলপথে চলাচল করে। মেইল ট্রেন হিসেবে চলাচলকারী দুটি ট্রেনই সান্তাহার-লালমনিরহাট রুটে এবং অন্য একটি লোকাল ট্রেন গাইবান্ধার বোনারপাড়া থেকে সান্তাহার রুটে চলাচল করে। এসব ট্রেনে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী চলাচল করে। পূর্ব বগুড়ার সোনাতলা ও গাবতলী উপজেলার অধিকাংশ মানুষ ট্রেনের ওপর নির্ভরশীল।

বগুড়ায় ব্যবসা করেন আদমদীঘি উপজেলার নশরৎপুরের আসাদুল হক। তিনি জানান, প্রতিদিন ২০ টাকা দিয়ে বগুড়ায় আসেন। বাদাম বা ফল বিক্রি করে সন্ধ্যায় আবার ২০ টাকা দিয়ে ফিরে যান। এখন সেখানে যাতায়াত করতে ১২০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাজেদুর রহমান সাজু বণিক বার্তাকে বলেন, ‘গতকাল সকাল থেকে দুটি ট্রেন চলাচল করছে। ট্রেন দুটি দিনে একবার করে দুবার চলাচল করবে। স্থানীয়ভাবে চলাচল করছে। ধীরে ধীরে পরিপূর্ণভাবে ট্রেন চলাচল করবে। সকালে ও সন্ধ্যার ট্রেনে প্রতিদিন চাপ থাকে। তবে গতকাল যাত্রী কম ছিল।’

আরও