কারিগরি ত্রুটিতে বন্ধ আদানির একটি ইউনিট, কমেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। যদিও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্যে দেখা গেছে, আদানি পাওয়ার ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা পযন্ত ১ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। এরপর থেকে কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদন নেমে আসে ৭৫০ মেগাওয়াটে

ভারত থেকে বাংলাদেশে সরবরাহকৃত আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। আমদানি চুক্তি অনুসারে, কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও বর্তমানে তা অর্ধেকের কমে নেমে এসেছে।

গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। যদিও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্যে দেখা গেছে, আদানি পাওয়ার ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা পযন্ত ১ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে। এরপর থেকে কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদন নেমে আসে ৭৫০ মেগাওয়াটে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা বলছেন, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আগে থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ছিল না আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্যে বয়লারে ক্রটি ধরা পড়ায় একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এই ত্রুটি সারিয়ে উঠতে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যেতে পারে বলে আদানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট আছে এখানে। চাহিদা বুঝে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি সরবরাহ করার রেকর্ড আছে এই কেন্দ্রের।

গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে দেশে গ্যাসের সংকট তীব্র তৈরি হয়েছে। এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, গ্যাস আমদানি সংকট থাকায় দেশে লোডশেডিং হচ্ছে নিয়মিত। এ পরিস্থিতির মধ্যে আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কমে গেলে আরো লোডশেডিং বাড়বে। গতকালও লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের ওপরে। আজকেও লোডশেডিং সকালে ছিল প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। যদিও দুপুর একটায় লোডশেডিং ৫৫০ মেগাওয়াট বলছে পাওয়ার গ্রিড।

আরও