সাভারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার ১

ঢাকার সাভারের কমলাপুর এলাকায় প্রাইভেট পড়িয়ে বাসায় ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকার সাভারের কমলাপুর এলাকায় প্রাইভেট পড়িয়ে বাসায় ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় একজনকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানার পুলিশ। গতকাল ভোরে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার তেজকুনিপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মিঠু বিশ্বাস (৩৫) সাভারের কমলাপুর গোয়ালিও এলাকার দেবেন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন একই এলাকার সোহেল রোজারিও (৩৭) ও বিপ্লব রোজারিও (৪০)। তারা পলাতক। এদের মধ্যে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং বিপ্লব ও মিঠুর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সাভার মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা বলেন, ‘রোববার ভোররাতে তেজগাঁও থানার তেজকুনিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিঠুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

মামলার এজাহার ও এলাকাবাসীর দেয়া তথ্যমতে, ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী তরুণী কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। রাস্তায় সোহেল রোজারিও ও অন্য দুই আসামি তাকে অনুসরণ করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে জোর করে একটি মাঠে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান সোহেল। তবে তাতে ব্যর্থ হয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে নিজের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। এতে সহযোগিতা করেন অন্য দুই আসামি। পরে অন্য দুই আসামিও তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

পরে এ ঘটনায় একটি মামলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আ. ওয়াহাব বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রী তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এর পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে আসছে পুলিশ। আশা করছি বাকি দুই আসামিকে দ্রুতই গ্রেফতার করতে পারব।’

এদিকে গতকাল বিকালে ধর্ষণের প্রতিবাদে ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন দফা দাবিতে সাভার মডেল থানা প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের দাবি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষককে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ নীরব এলাকায় পর্যাপ্ত লাইটিং, সিসিটিভি ক্যামেরা ও টহলের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সাভারে খুন-গুম-ধর্ষণের জন্য যৌথ বাহিনীর স্পেশাল সেল গঠন করতে হবে।

আরও