কোচিং শেষে ৩টায় বাসায় ফেরার কথা ছিল জুনায়েদের, অপেক্ষায় ছিলেন মা

দুর্ঘটনার পরপরই জুনায়েদকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেসময় তার বাবা-মা কেউ উপস্থিত ছিল না। তার আইডি কার্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই শেয়ার করে শিশিুটির বাবা মায়ের সন্ধান চেয়েছিলেন।

মাইস্টোন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র মো. জুনায়েদ হাসান। প্রতিদিনের মত সকালে স্কুলে যান। স্কুল শেষে কোচিংয়ের ক্লাস করছিলেন। এসময় হঠাৎ বিমান ভূপতিত হয়। ঘটনাস্থলে গুরত্বর আহত হন জুনায়েদ। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করে।

জুনায়েদের বাবা মো. আসলাম দিয়াবাড়ী এলাকায় ব্যবসা করেন। মা ঝর্ণা বেগম। তাদের বাড়ি মাইলস্টোন স্কুলের পাশে।

জুনায়েদের ফুফু বণিক বার্তাকে বলেন, জুনায়েদ ছোটবেলা থেকে মেধাবী ছিলেন। প্রতিদিনের মত সকাল স্কুলে যান। স্কুল শেষে কোচিং করেন। তিনটায় কোচিং শেষে বাসায় ফেরার কথা ছিলো। কিন্তু ১ টার দিকে শুনি দুর্ঘটনার কথা। সেটা শুনে তার মা বাবা পাগল হয়ে গেছে। সবাই ছুটে আসে ঢামেকে।

তিনি বলেন, জুনায়েদের মা তার জন্য অপেক্ষা করছিল বাসায়। তিনটায় বাসায় আসার কথা ছিল। কিন্তু আর আসলো না।

কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন জুনায়েদের ফুফু।

জুনায়েদের এক খালু জানান, কিভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল জানিনা। ফেসবুকে দেখি তার আইডি কার্ডের ছবি। তখন তার বাবাকে ফোন করে দেখি সে কাদঁতেছে। জুনায়েদ চলে গেল। তিনি আরো বলেন, এখন মর্গে আছে লাশ। সেখান থেকে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ নেবো। জানিনা কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

জুনায়েদের বাবা মার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তারা হাসপাতালের পাশে এক আত্মীয়ের বাসায় আছেন।।

আরও