স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ২৫ নভেম্বর প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, দাবি-আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তিসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে এ বিষয়ে উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং নিবন্ধন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে আজ এসব তথ্য জানা গেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ধারা ৩(জ) অনুযায়ী, ভোটার হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের তারিখ হিসেবে ৩১ জুলাই ২০০৮ নির্ধারণ করেছে কমিশন। এ হিসাবে ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার তালিকার ডাটাবেইজে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, হালনাগাদ খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত ও মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাছে লিংক পাঠানোর শেষ তারিখ ৪ নভেম্বর। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৫ নভেম্বর। তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি, বাদ পড়া বা অন্যান্য ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য দাবি-আপত্তি ও আবেদন জমা দেয়া যাবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত।
দাখিল করা দাবি-আপত্তি ও সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২৩ নভেম্বর। এসব আবেদনের বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত তালিকায় সন্নিবেশের কাজ শেষ করতে হবে ২৪ নভেম্বর। পরদিন ২৫ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে হালনাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, এ কার্যক্রম চলাকালে মুদ্রিত খসড়া ভোটার তালিকা জনসাধারণের পরিদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি তালিকার ভুলত্রুটি সংশোধনে আবেদন করার আহ্বান জানিয়ে মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে ইমাম ও পুরোহিতদের মাধ্যমে নামাজ বা প্রার্থনার আগে কিংবা পরে ঘোষণা দিতে হবে। স্থানীয় সাংবাদিক ও ক্যাবল অপারেটরদের মাধ্যমেও জনস্বার্থে এ তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মুদ্রিত খসড়া ভোটার তালিকায় পুরুষের তালিকায় নারী ভোটার বা নারীর তালিকায় পুরুষ ভোটার অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং ধর্মসংক্রান্ত ভুলসহ অন্যান্য ত্রুটি সংশোধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনাও দিয়েছে কমিশন।