সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার-ম্যাডাম বলার রীতি নেই —জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলার রীতি নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। একই সঙ্গে যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা জনসাধারণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তবে তা ‘দুর্নীতির শামিল’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপে

সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলার রীতি নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। একই সঙ্গে যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা জনসাধারণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তবে তা দুর্নীতির শামিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপে গতকাল প্রতিমন্ত্রী কথা বলেন। সংলাপ চলাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্যার শব্দের বাংলা অর্থ মহোদয়। রুলস অব বিজনেসে এটা নেই। স্যার বা ম্যাডাম সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।

সময় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজ করার বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল যারা সেবা নিতে আসেন তাদের দিকে তাকাও। তারা তোমার বাবার মতো। ভাইয়ের মতো। আত্মীয়ের মতো। সেবা নিতে আসে জনগণ। তাদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। বিভাগীয় কমিশনার থেকে মাঠ প্রশাসনকে আমরা সে নির্দেশনাই দিই। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।

তিনি বলেন, হাসিমুখে সেবা দেয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল। এটা কখনো করা যাবে না। আইনের মধ্যে থেকে সাধ্যমতো সেবা দেয়ার মনোভাব থাকতে হবে। কর্মকর্তারা যাতে এটি মেনে চলেন।

সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অভিযোগে লঘু গুরুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আরো ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাস সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

আরও