দেশীয় স্পিনিং শিল্পের সুরক্ষায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা প্রত্যাহার করে ব্যাংক গ্যারান্টির ব্যবস্থা বহাল রাখতে চায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। বিপরীতে আগের বন্ড সুবিধা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)। বিটিএমএর যুক্তি, দীর্ঘদিনের বিনিয়োগ ও উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাতে দেশীয় স্পিনিং শিল্পকে সুরক্ষা দেয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর আশঙ্কা, এতে কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি রফতানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এনবিআরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও চেয়েছে সংগঠন দুটি। আজ এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের কথা রয়েছে।
রফতানিমুখী শিল্পে আমদানি করা কাঁচামালের আগাম শুল্ক-কর পরিশোধের চাপ কমিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ব্যবস্থা চালু করা হয়। তৈরি পোশাক শিল্প বিকাশের সঙ্গে দেশে এর পরিধিও বাড়ে। সরকারি কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৯ সালের কাস্টমস আইনের ৮৪ থেকে ১১৯ ধারাসহ বিভিন্ন বিধি ও আদেশের আওতায় এ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। বিশেষ বন্ডেড ওয়্যারহাউজের আওতায় শতভাগ রফতানিমুখী পোশাক কারখানা শুল্ক-কর পরিশোধ ছাড়াই আমদানি করা কাঁচামাল ব্যবহারের সুযোগ পায়।
বর্তমান বিরোধের সূত্রপাত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে এ সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে। সুবিধা প্রত্যাহারের কারণে সংশ্লিষ্ট সুতা আগের মতো সরাসরি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা যাবে না; সমপরিমাণ শুল্ক-করের বিপরীতে ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে আমদানি করতে হবে। ২০২৫ সাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বস্ত্র ও পোশাক খাতসংক্রান্ত এক সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে বিটিএমএর প্রতিনিধিরা বিষয়টি উত্থাপন করেন। তবে বিটিএমএ সূত্রের দাবি, বিষয়টি সভার আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরে সভার কার্যবিবরণীর ভিত্তিতে ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআর বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার ও ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির আদেশ জারি করে। ১৪ অক্টোবর একই ধরনের আরেকটি আদেশ জারি করা হয়।
এ বিষয়ে তৈরি পোশাক খাতের একাধিক বড় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জানান, সিদ্ধান্তটির প্রভাব শুধু সুতা সংগ্রহের ব্যয়ে সীমাবদ্ধ নয়; আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নির্ধারিত কাঁচামাল ব্যবহার, উৎপাদন পরিকল্পনা, সরবরাহের সময়সীমা ও রফতানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কাঁচামাল সংগ্রহের সুযোগ সীমিত হলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে।
অনন্ত গ্রুপের চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশীয় স্পিনিং শিল্পের একটি অংশ কয়েক দশক ধরে মূলত সাধারণ ধরনের সুতা উৎপাদন করছে; আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারেনি।’ তার মতে, ভারতীয় সুতার সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে দেশীয় স্পিনিং শিল্প সুরক্ষা চাইছে। তবে এর দায় পুরো রফতানি শিল্পের ওপর চাপানো কতটা যৌক্তিক, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন সুরক্ষা ও বিনিয়োগ সুবিধা পাওয়ার পর দেশীয় স্পিনিং মিলগুলো অন্য পোশাক উৎপাদনকারী দেশে সরাসরি কতটা সুতা রফতানি করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শরীফ জহীর।
তার ভাষ্য, ‘রফতানি আদেশে অনেক সময় ক্রেতারা নির্দিষ্ট সরবরাহকারীর সুতা ব্যবহারের শর্ত দেন। অনেক ক্ষেত্রে চীন বা অন্য দেশের নির্দিষ্ট সরবরাহকারীর সুতা ব্যবহার করতে হয়, যা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতার মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় দেশীয় স্পিনিং শিল্পের অদক্ষতার দায় রফতানিকারকদের ওপর চাপানো উচিত নয়।’
শরীফ জহীরের মতে, ব্যাংক গ্যারান্টি, অতিরিক্ত কাগজপত্র ও আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অর্থায়ন ব্যয় বাড়বে, কার্যকরী মূলধন আটকে থাকবে এবং কাঁচামাল আমদানিতে বিলম্ব হবে। এতে উৎপাদন ও সরবরাহের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে। তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা দ্রুত, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে ও নির্ভরযোগ্যভাবে পণ্য চান; অদক্ষ উৎপাদকদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে রফতানি শিল্পকে ঝুঁকিতে ফেলা উচিত নয়। তিনি এনবিআরের আদেশ প্রত্যাহার করে বন্ড সুবিধা পুনর্বহাল এবং অবৈধ সুতা বিক্রি ঠেকাতে কাস্টমস নজরদারি, বাজার পরিদর্শন ও আইন প্রয়োগ জোরদারের দাবি জানান।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মতে, সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলে পোশাক শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ১৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেয়া চিঠিতে সংগঠন দুটি জানায়, বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে সংশ্লিষ্ট কাউন্টের আমদানীকৃত সুতার চালান আটকে আছে। এর মধ্যে টুইস্টেড, অর্গানিক, বেটার কটন ইনিশিয়েটিভের (বিসিআই) কটন, কটন মেলাঞ্জসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সুতা রয়েছে। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য ও মানের এসব সুতা দেশে উৎপাদন হয় না। ফলে চালান আটকে থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সংগঠন দুটির দাবি, এনবিআরের গত ৭ সেপ্টেম্বরের আদেশের পর স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো সুতার দাম ৩০-৫০ সেন্ট বাড়িয়েছে। আবার শুল্ক-কর পরিশোধ বা ব্যাংক গ্যারান্টির কারণে আমদানিকারকদের কার্যকরী মূলধনের বড় অংশ আটকে যাচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রফতানিকারকরা তারল্য সংকটে পড়ছেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা দুর্বল হচ্ছে বলে মনে করে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।
চিঠিতে সংগঠন দুটি জানায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এনবিআরকে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্থগিতের অনুরোধ জানায়। তবে তা না করে ১৪ অক্টোবর একই ধরনের আরেকটি আদেশ জারি করা হয়। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর অভিযোগ, সিদ্ধান্তের আগে প্রধান অংশীজন হিসেবে তাদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা হয়নি। সংগঠন দুটি আদেশ অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং সব পক্ষের মতামত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নীতিকাঠামো প্রণয়নের সুপারিশ করেছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বণিক বার্তাকে জানান, এ বিষয়ে সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হবে। পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রফতানি সক্ষমতা ঝুঁকিতে পড়ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই। এজন্যই তো আমরা চিঠি দিয়েছি। আমরা উইন-উইন সিচুয়েশন চাই। কাউকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে আরেক পক্ষকে মেরে ফেলার কোনো যুক্তি হতে পারে না।’
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মতে, বাংলাদেশের পোশাক খাত থেকে বছরে ৩৯ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় আসে এবং এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা জড়িত। খাতটি ক্ষতির মুখে পড়লে এর ওপর নির্ভরশীল বস্ত্র শিল্পও প্রভাবিত হবে। তাই শুধু স্পিনিং শিল্পের সুরক্ষা নয়, পোশাক খাতের কাঁচামাল সরবরাহ ও রফতানি সক্ষমতাকেও সমান গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে বিটিএমএর বক্তব্য, বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার মানে সুতা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা বা নতুন শুল্ক আরোপ নয়। ১৮ অক্টোবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, এনবিআরের আদেশে প্রযোজ্য শুল্ক-কর পরিশোধের পরিবর্তে সমপরিমাণ ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে সুতা আনার সুযোগ রাখা হয়েছে। ব্যাংকগুলো সাধারণত নন-ফান্ডেড এক্সপোজার থেকে গ্যারান্টি ইস্যু করে বলে এতে আমদানিকারকের কার্যকরী মূলধন সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা নেই।
বিটিএমএর মতে, ব্যাংক গ্যারান্টিভিত্তিক ব্যবস্থায় আমদানীকৃত সুতা অনুমোদিত কাজে ব্যবহার হয়েছে কিনা, তা যাচাই করা যাবে। নির্ধারিত সময়ে রফতানির প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় দলিল না দিলে বিধি অনুযায়ী গ্যারান্টি নগদায়ন করা সম্ভব। আবার রফতানি ও আয় প্রত্যাবাসনের তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর গ্যারান্টি অবমুক্ত করলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। সংগঠনটির দাবি, ডিজিটাল নজরদারি ও ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষার মাধ্যমে বৈধ রফতানি সচল রেখেই বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ঠেকানো সম্ভব।
দেশীয় প্রাইমারি টেক্সটাইল, বিশেষ করে স্পিনিং শিল্পের বিনিয়োগ ও সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিটিএমএ বলেছে, এ খাতে ৩২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। শিল্পটির আর্থিক ও উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা গেলে বন্ধ ও আংশিক বন্ধ স্পিনিং ও উইভিং মিল আবার চালু হতে পারে। এতে বিদ্যমান কর্মসংস্থান সুরক্ষার পাশাপাশি নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনরুদ্ধার এবং খেলাপি ঋণের চাপ কমাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে সংগঠনটি।
বিটিএমএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি যমুনা হাই-টেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামীম ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সুতা আমদানির সুযোগ উন্মুক্তই থাকছে। কেবল নন-ফান্ডেড ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়ে সুতা আনতে হবে, যার জন্য নগদ অর্থ দিতে হচ্ছে না। ফলে প্রকৃত ও সঠিক নিয়মে রফতানি করেন এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি কোনো সমস্যা নয়। এ নিয়মে কেবল তারাই অসুবিধায় পড়ছেন, যারা বন্ড সুবিধায় আমদানি করা সুতার অপব্যবহার করেন।’
বিটিএমএর বক্তব্য, দেশীয় ও আমদানীকৃত সমজাতীয় সুতার প্রকৃত ক্রয় ব্যয় নির্ধারণে মান ও বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি পরিবহন, শুল্ক-কর, ব্যাংক চার্জ ও অর্থায়ন ব্যয় বিবেচনায় নেয়া জরুরি। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সিদ্ধান্তও শুধু সুতার দামের ওপর নির্ভর করে না; উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি, কারখানার সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা ও সময়মতো পণ্য সরবরাহও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্ষেত্রে কোন সিদ্ধান্তে সামগ্রিকভাবে বেশি লাভ হবে, তা হিসাব করে দেখা প্রয়োজন। পোশাক রফতানিকারকরা কম দামে সুতা সংগ্রহ করতে চাইবেন। কারণ সুতার দাম বাড়লে পোশাকের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ পাওয়াও কঠিন হতে পারে।
বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোস্তফা আবিদ খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বন্ড সুবিধার পরিবর্তে ব্যাংক গ্যারান্টির আওতায় সুতা আমদানিতে রফতানিকারকদের প্রকৃত আর্থিক বোঝা কতটা বাড়ছে, তা নির্ভরযোগ্য হিসাবের মাধ্যমে নিরূপণ করা দরকার। ব্যাংক গ্যারান্টির সুদ ও অন্যান্য খরচে তাদের কতটা ক্ষতি হচ্ছে এবং অন্য পক্ষ কী পরিমাণ সুবিধা পাচ্ছে, সে তথ্যও প্রয়োজন। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সুনির্দিষ্ট আর্থিক তথ্য দিলে সিদ্ধান্তটির প্রভাব বোঝা সহজ হবে।’ তার মতে, প্রতিযোগিতামূলক ও সাশ্রয়ী যে উৎস থেকেই সুতা সংগ্রহ করা সম্ভব, রফতানিকারকদের সেই সুযোগ থাকা উচিত। কারণ এ কাঁচামাল অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এ সুযোগ সীমিত হলে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এক পক্ষের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে মধ্যপন্থা খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এমন নীতিগত সমাধান বের করা প্রয়োজন, যাতে দেশীয় স্পিনিং শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি রফতানিমুখী পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও অক্ষুণ্ন থাকে।’