বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে নিহত শিশু ফাতেমার ঘটনায় আলোচনায় এসেছে মানসিক ভারসাম্যহীন মা ফজিলা খাতুন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাড়ে তিন বছর পর তাকে ফিরে পেয়েছে পরিবার।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন ফজিলা খাতুনকে তার মা, ভাই ও সন্তানসহ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেন। এ সময় সমাজসেবা অফিস ও সদর মডেল থানার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত সোমবার ১ জুন রাতে মাজার দিঘিতে ফজিলা খাতুনের সাত বছর বয়সী কন্যাশিশু ফাতেমা গোসল করতে নামলে কুমিরের আক্রমণে নিহত হন। ফাতেমার নিহতের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পরিবারের পক্ষ থেকে ভাই, মা, সন্তানসহ ৬ জন ছুটে আসেন খানজাহান আলী মাজারে।
সেখান থেকে মাজার কর্তৃপক্ষ তাদের বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে পাঠান। নির্বাহী কর্মকর্তা তার পরিচয় শানাক্ত করার জন্য সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ফজিলা খাতুন ২ ছেলে ও ৩ মেয়ের মা। এর মধ্যে ফাতেমা ছিল সবার ছোট। ফজিলার ছোট ভাই মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, তিন বছর আগে আমার বোন হারিয়ে গিয়েছিল। আজ আমার বোনকে পেয়ে আনন্দিত। তবে আমার ভাগ্নির জন্য কষ্ট লাগছে।
মা হাজরা খাতুন বলেন, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ঝড় হয়। এরপরে ফাতেমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি ফজিলা। অনেক খোঁজাখুঁজি করো পাওয়া যায়নি তাকে। আমার মেয়েকে পেয়ে এখন ভালো লাগতেছে। আমার নাতিসহ সন্ধান পেলে আরো ভালো লাগত।