ব্লক স্থাপন করে রাস্তা নির্মাণকাজের টেন্ডার হওয়ার পর পরই ইউপি সদস্য ঘটনাটি ঘটান। তবে ইট তুলে নেয়ার প্রায় চার মাস পার হলেও নতুন রাস্তা নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। এতে কর্দমাক্ত রাস্তায় চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়ন ও উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রইশ্যার বাড়ির সামনের চৌপল্লী-আলাদাদপুর রাস্তায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাজিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাসুদ রানা ইটগুলো তুলে ২৫ হাজার টাকায় একই এলাকার আব্দুস শহীদ ও আহমেদ কবিরের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।
ইউপি সদস্য মাসুদ রানা বলেন, ‘রাস্তার সলিংটি সরকারি কোনো বরাদ্দের ছিল না। যারা রাস্তাটি সলিং করে দিয়েছে, তারাই আবার ইটগুলো তুলে আব্দুস শহিদ ও আহমেদ কবিরের কাছে বিক্রি করেছেন।’
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন বলেন, ‘রাস্তার ইট বিক্রি করার এখতিয়ার কারো নেই। এছাড়া ঘটনাটি আমার নজরে নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হবে। ঘটনা সত্য হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’