ঈদুল ফিতর সামনে রেখে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় ও যমুনা সেতুর ওপর একাধিক যানবাহন বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের অন্তত ৩০ কিলোমিটার জুড়ে ধীরগতিতে এগোচ্ছে যানবাহন।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে করটিয়া পর্যন্ত এলাকাজুড়ে যানবাহনের এ ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬০০ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যমুনা সেতুর ওপর প্রায় ১৩টি গাড়ি বিকল ও স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে মহাসড়কের যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। তার ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ তো আছেই।
এদিকে, যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী ও শিশুরা। গাড়ি না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিক-আপের করে বাড়ি যাচ্ছেন অনেকেই। চালক ও যাত্রীরা বলেন, তিন ঘণ্টার সড়ক পাড়ি দিতে ছয় থেকে আট ঘণ্টা লাগছে। ভোগান্তির শেষ নেই।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সেতুতে বারবার গাড়ি বিকল হচ্ছে। সেগুলো সরিয়ে নিতে একটু সময় লাগায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে।