তারা ২০২৬ সালের পরীক্ষার নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল। এতে ফলাফল নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। গতকাল উপজেলার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
গত বছরের প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মনিরুল হাসান। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি সঠিক। ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের একটি কক্ষের ২০ পরীক্ষার্থী ২০২৫ সালের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। তারা সবাই একটি কক্ষে পরীক্ষা দিয়েছে।’
এ সময় কেন্দ্রসংশ্লিষ্টদের বরাতে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্টরা এই ২০টি খাতা আলাদাভাবে প্যাকিং করে বোর্ডে পাঠিয়েছেন। বোর্ড-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে কেন্দ্রের অধ্যক্ষ আমাকে জানিয়েছেন। দায়িত্বসংশ্লিষ্টরা এটা ভুল করেছেন।’ তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কক্ষে কোন কোন শিক্ষক দায়িত্বে ছিলেন ও শিক্ষার্থীরা কোন বিভাগের তা জানাতে পারেননি এ কর্মকর্তা।
এ ব্যাপারে ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আসাদুল হক বলেন, ‘৩ ঘণ্টা পরীক্ষার সময়কালে ওইসব পরীক্ষার্থী ও কক্ষের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরাও বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ১০৭ নম্বর কক্ষে ২০২৬ সালের নিয়মিত ২০ জন পরীক্ষার্থী ২০২৫ সালের অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। পক্ষান্তরে অনিয়মিত ২০ পরীক্ষার্থী আবার ২০২৬-এর নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে।’
পরীক্ষার্থীদের ফল নিয়ে শঙ্কা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ফলে কোনো সমস্যা হবে না। বোর্ডে কথা হয়েছে। ওইসব খাতা ওই প্রশ্নের আলোকে মূল্যায়ন করা হবে।’