ধলেশ্বরী নদীতে সাঁতার শিখতে গিয়ে নিখোঁজের
প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর বাবা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে
সিংগাইর উপজেলার বায়রা খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শাহজাহান বলেন, আজ সকাল থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে নামেন। উদ্ধারকারীরা মাছ মারার বড় আকৃতির বরশি দিয়ে নদীর দুই পাশ থেকে টেনে আনার সময় মেয়ে রাফার জামায় বরশি আটকালে তাকে ওপরে তোলা হয়। তার কিছু দূরেই বরশিতে আটকে পড়ে মহিদুরের দেহ। পরে তাকেও উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো পরিবারের লোকজন নিয়ে যায়।
জানা যায়, গতকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ১১ বছর বয়সী মেয়ে রাফা আক্তারকে সাঁতার শেখাতে বাড়ির পাশের ধলেশ্বরী নদীতে নিয়ে যান বাবা মহিদুর রহমান। সাঁতার শেখার এক পর্যায়ে বোতলের মুখ খুলে এর ভেতরে পানি ঢুকে রাফা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় মেয়েকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবা মহিদুরও নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও আরিচা স্থল কাম নদীবন্দর ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। কিন্তু অনেক খোঁজার পরও তাদের পাওয়া যায়নি।
মহিদুর রহমান পেশায় ব্যবসায়ী ও মেয়ে রাফা বায়রা উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।