সংবাদপত্রে দেখি বাংলাদেশ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ র্যাংকিংয়ে কোনো স্থান পায় না। এর পেছনে অবশ্য বেশকিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণা সমৃদ্ধ নয়। গবেষণার জন্য প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি। অথচ বাংলাদেশের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসবের সংকট রয়েছে। বিশ্বদরবারে যেসব দেশ উন্নতির শিখরে আরোহণ করেছে, সবাই প্রযুক্তির দিক দিয়ে নিজেদের উৎকর্ষ সাধন করেছে। কিন্তু আমাদের দেশ এর বিপরীত। প্রযুক্তিগতভাবে আমরা এগোতে পারিনি। বিশ্বের অন্যান্য দেশে জিডিপির একটা অংশ ব্যয় করা হয় শিক্ষা খাতে। কিন্তু বাংলাদেশে বরাদ্দ থাকে মাত্র ৩ শতাংশের মতো, এটা বাড়ানো প্রয়োজন। এছাড়া গবেষণার জন্য উন্নত মানের যন্ত্রপাতি, ল্যাবরেটরি চালু করতে হবে। এ জায়গায় সরকার বরাদ্দ দিতে পারে। অনেক প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটের কারণে গবেষণা করতে পারে না। ফলে অনেক প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটা বিষয় হলো ইন্ডাস্ট্রি (শিল্প) ও একাডেমিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা। বহির্বিশ্বে যখন কোনো শিক্ষার্থী অন্য দেশের শিল্পমেলায় যায়, সেখান থেকে তারা বিভিন্ন পণ্যের উপাদানগুলো সম্পর্কে জেনে আসে। দেশে এসে তা প্রয়োগ করে নতুন যন্ত্র আবিষ্কার করে। এভাবে তারা ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়।
—দিদার এ হোসেইন, চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, আইইউবি