ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিল ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে পাশ কাটিয়ে দ্বিতীয় দরদাতাকে বিল ইজারা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে পাশ কাটিয়ে দ্বিতীয় দরদাতাকে বিল ইজারা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে গত ১০ ডিসেম্বর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সেন্দ-শিলাউর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সম্পাদক রব্বান মিয়া।

অভিযোগে বলা হয়, ১৪৩১-১৪৩৬ বঙ্গাব্দ মেয়াদে ৩১৭ দশকি ৩৮ একর আয়তনের দুগাংগী বিল ইজারার জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। ১৫ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন করেন তারা। এছাড়া আরো দুটি মৎস্যজীবী সমিতি আবেদন করে। এর মধ্যে তাদের সমিতি সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা দর দেয়।  বারো আউলিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড দর দেয় ১৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা। ভাই ভাই মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড দর দেয় ১১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। পরে বারো আউলিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডকে ইজারার জন্য মনোনীত করে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

রব্বান মিয়া জানান, অনিয়মের মাধ্যমে বিল ইজারার বিষয়টি জানতে পেরে ৭ ডিসেম্বর প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এবং ১০ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছে বারো আউলিয়া সমিতির ইজারা বাতিলের আবেদন করেন তারা। কিন্তু তাদের আবেদন আমলে না নিয়ে ১২ ডিসেম্বর বারো আউলিয়া সমিতির পক্ষে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। এতে ওই সমিতিকে জলমহালের তীরবর্তী বলে উল্লেখ করা হয়। অথচ বিল দুগাংগী জলমহালের ৮৫ ভাগ এলাকা সুলতানপুর ইউনিয়নের হাবলাউচ্চ, বিরামপুর, সুলতানপুর, মহিউদ্দিনগর ও শাহপুর মৌজায়। সেন্দ-শিলাউর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডও রামরাইল ও সুলতানপুর ইউনিয়নের মধ্যে অবস্থিত।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম শেখ জানান, অতিনিকটবর্তী বলে বারো আউলিয়া সমিতিকে বাছাই করা হয়েছে। নীতিমালা অনুসারে ইজারা দেয়া হয়েছে। বেশি টাকা দিলে দেয়া যাবে তেমন নয়, নিকটবর্তী যারা, ইজারার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার।

আরও