বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা

রমেশ চন্দ্র সেন কারাগারে এমএ লতিফ রিমান্ডে

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে আদেশ দেন বিচারক রাজীব কুমার রায়। একই মামলায় চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এমএ লতিফের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। চট্টগ্রামের প্রথম মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক জুয়েল দেব আদেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় রমেশ চন্দ্র সেনকে। গতকাল দুপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঠাকুরগাঁও থেকে দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি ফিরোজ ওয়াহিদ জানান, অসুস্থ থাকায় রমেশ চন্দ্র সেনের রিমান্ড চাওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে।

শুক্রবার ঠাকুরগাঁও সদর থানায় ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন সদর উপজেলার হাজীপাড়ার বাসিন্দা রিপন ওরুফে বাবু। মামলার প্রধান আসামি রমেশ চন্দ্র সেন।

রমেশ চন্দ্র সেনের সহধর্মিণী অঞ্জলি সেন৷জানান, সাদা পোশাকে ১০-১৫ জন রমেশ চন্দ্র সেনকে তুলে নিয়ে যায়। তবে তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিষয়ে তার পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এমএ লতিফের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল চট্টগ্রামের প্রথম মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক জুয়েল দেব আদেশ দেন। দুপুরে এমএ লতিফকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে এমএ লতিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন বিভাগ) মফিজ উদ্দিন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এমএ লতিফের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

আগস্ট নগরীর মাদারবাড়ী এলাকা থেকে সংসদ এমএ লতিফকে হেফাজতে নিয়েছিল সেনাবাহিনী। শুক্রবার ডবলমুরিং থানায় এরশাদ নামে এক ব্যক্তি এমএ লতিফসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।

আরও