পরশুরামে পাকা ধানে ব্লাস্ট দুশ্চিন্তায় কৃষক

ফেনীর পরশুরামে বোরো ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। পাকা ধানে এ রোগের প্রাদুর্ভাবে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষক। তাদের অভিযোগ, বাজার থেকে কিনে ওষুধ ছিটিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এদিকে করোনার কারণে কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে ঠিকমতো আলোচনা করাও হয়ে উঠছে না।

ফেনীর পরশুরামে বোরো ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। পাকা ধানে রোগের প্রাদুর্ভাবে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষক। তাদের অভিযোগ, বাজার থেকে কিনে ওষুধ ছিটিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এদিকে করোনার কারণে কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ঠিকমতো আলোচনা করাও হয়ে উঠছে না।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে পরশুরামে হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। তবে কয়েক দিন ধরে পাকা ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার কয়েকজন কৃষক ক্ষেত থেকে ধান তুলে অফিসে নিয়ে এলে কৃষি বিভাগ রোগের আক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। শুক্র শনিবার অফিস বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মোবাইলে পরামর্শ দেয়া হয়। উপজেলায় পর্যন্ত প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।

কৃষকরা জানান, ক্ষেতের ধান এখন প্রায় পাকা অবস্থায় রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই ধান কাটা শুরু হবে। শেষ মুহূর্তে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাবে ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত জমির পরিমাণ। বাজার থেকে কেনা ওষুধ ক্ষেতে ছিটিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে না।

ব্যাপারে উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, উপজেলায় ব্রি ২৮, ২৯ ৫৮ জাতের ধানের জমিতে ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ দেখা গেছে। শুক্র শনিবার অফিস বন্ধ ছিল। তাই কৃষকরা যথাযথ সহযোগিতা হয়তো পাননি। তবে গতকাল কৃষি বিভাগের লোকজন আক্রান্ত ক্ষেত পরিদর্শন করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, উপজেলার কিছু জমিতে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণেই রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। উপজেলায় পর্যন্ত প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এতে খুব একটা সমস্যা হবে না।

আরও