মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের আদালত। আজ দুপুরে চৌহালী আমলী আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগে দায়েরকৃত মানহানির মামলায় তার বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি হয়েছে।
এর আগে গত ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সংসদ সদস্য আমির হামজার বক্তব্য মানহানিকর এবং এতে মন্ত্রীর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
পরবর্তীতে ১৯ এপ্রিল আদালত আমির হামজাকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করলেও নির্ধারিত তারিখে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। এ কারণে বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হতে পারে।
অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির কর্নেল জানান, বিষয়টি এখন আদালত ও প্রশাসনের এখতিয়ার। আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ দেখে ব্যবস্থা নেবো।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সমর্থক ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে মতপ্রকাশের বিষয় হিসেবে দেখলেও, অন্য পক্ষ বলছে—জনপ্রতিনিধির বক্তব্যে দায়িত্বশীলতা থাকা প্রয়োজন।
মুফতি আমির হামজা বলেছেন, তিনি যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হবেন এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টি মোকাবেলা করবেন।
আরো ইঙ্গিত দেন, আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তিনি এবং প্রচলিত আইন মেনেই নিজ অবস্থান তুলে ধরবেন।