গতকাল দুপুরে সাভারের প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।
আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এবার কোনো পশু আমদানি করা হচ্ছে না। এছাড়া চোরাই পথে পশু যেন না আসতে পারে সে বিষয়েও সীমান্তে কড়াকড়ি করা হয়েছে। বিজিবির সঙ্গে কয়েকটা বৈঠকও হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দেশে কোরবানির জন্য যে পরিমাণ গরু, ছাগল ও ভেড়ার প্রয়োজন, তার চেয়েও বেশি প্রস্তুত রয়েছে। ফলে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে সীমান্ত পথে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকেও এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে চোরাচালানের মাধ্যমে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কোরবানির গরুই না, বর্তমানে বাংলাদেশ মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সবকিছুই উন্নত হয়েছে। কৃষকেরা এখন জানে কীভাবে গরু লালনপালন করলে বেশি মাংস ও দুধ পাওয়া যায়। তাই দেশের বাইরে থেকে গরু আনার কোনো প্রয়োজন নেই।’
কৃষি খাত নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব নীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথ খুলে দেবে।’