পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ওপর একটি বাজি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে কাজ করছে অ্যামচ্যাম। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা, সমাধান তৈরি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সংগঠনটি কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অ্যামচ্যামের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার রূপরেখা হিসেবে অভিহিত করেছেন ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, এ চুক্তি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের ওপর একটি বাজি। বাণিজ্য তখনই সবচেয়ে ভালো কাজ করে, যখন তা ন্যায্য, পারস্পরিক এবং দৃশ্যমান ফলাফল বয়ে আনে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ৩০তম ইউএস ট্রেড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) ও ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী এ ট্রেড শোর আয়োজন করেছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে কাজ করছে অ্যামচ্যাম। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা, সমাধান তৈরি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সংগঠনটি কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অ্যামচ্যামের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার তুলে ধরে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য সুযোগ সম্প্রসারণ, মার্কিন কর্মীদের সহায়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বর্তমানে একটি সম্ভাবনাময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুদেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্মোচন করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সেরা পণ্য ও সেবা সরবরাহ করে। এর সঙ্গে আসে উচ্চমানের উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা। কোনো দেশে মার্কিন কোম্পানি কার্যক্রম শুরু করলে কিংবা বিনিয়োগ করলে সেখানে মানসম্মত ও ভালো বেতনের কর্মসংস্থানও তৈরি হয়।

তিনি আরো বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের জন্য এসব সুযোগ উন্মুক্ত করার পথ তৈরি করছে।

পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিকে কেন্দ্র করে দুদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য ও সেবার পাশাপাশি দেশটির উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। এসব বিনিয়োগের ফলে দেশে মানসম্মত ও ভালো বেতনের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।

আরও