এজন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তর—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে বাজেট দিয়েছে এবং চলতি অর্থবছরের বাজেটেও এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালমাটিয়া এলাকায় গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে তিনি সেখানে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে আগস্টের পর অর্থ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে বৈঠক করবে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘বৈঠকে কোন নির্বাচন আগে ও কোনটি পরে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সিলেট সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের অন্য সিটি করপোরেশনের তুলনায় সিলেট নগরী বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ, খাল খনন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সিলেট সিটি করপোরেশন অন্যদের তুলনায় এগিয়ে আছে।’
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট–৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক, স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব রবিউল ইসলাম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিটি করপোরেশনের সচিব আশিক নূর, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।