ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, আগামী বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে: অর্থমন্ত্রী

আমীর খসরু বলেছেন, কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত আমলে ঋণ নেয়া হয়েছে, কিন্তু তা কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে এ সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট আর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তৈরি হবে না। ভবিষ্যতের বাজেট হবে শুধু জনগণের কল্যাণে, যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর আজ শুক্রবার প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান তিনি। সেখানে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এরপর নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত আমলে ঋণ নেয়া হয়েছে, কিন্তু তা কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে এ সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়েছে।

শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেয়ারবাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে, আস্থা ফিরে আসবে। তিনি আরো বলেন, এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরো উন্নত করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

আরও