আন্তর্জাতিক মানে কৃষিপণ্য রফতানিতে দেশে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ক্ষমতা (সেলফ লাইফ) বাড়ানো, জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।’
গতকাল গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে নবনির্মিত গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মন্তব্য করেন। কৃষিপণ্য পরিশোধনে এ পরমাণু প্রযুক্তিনির্ভর সেন্টারটি ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করবে।’
বিনার মহাপরিচালক ড. সারফুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম, কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ডা. জিয়াওকুন শি প্রমুখ।