বৃত্তি পেলেন ঢাবির পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ৩১ শিক্ষার্থী

উপাচার্য বলেন, শুধু সরকারি অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে বেসরকারি খাত ও অ্যালামনাইদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে বিশ্বমানে উন্নীত করা সম্ভব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের স্নাতক সম্মান ও মাস্টার্সে অধ্যয়নরত বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ৩১ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিয়েছে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ রিসার্চ ট্রাস্ট।

আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ রিসার্চ ট্রাস্ট যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিভাগের অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন বিভাগের অধ্যাপক ড. বিমান চন্দ্র বড়ুয়া এবং বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ রিসার্চ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সবুজ বড়ুয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নীরু বড়ুয়া।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে পরিবার, বাবা-মা ও সমাজের বিভিন্ন মানুষের অবদান থাকে। শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠে এসব অবদানের প্রতিদান দিতে হবে।

উপাচার্য বলেন, শুধু সরকারি অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে বেসরকারি খাত ও অ্যালামনাইদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাকে বিশ্বমানে উন্নীত করা সম্ভব।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করে বড় পরিসরে ‘এনডাউমেন্ট ফান্ড’ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলেন, মো. শামীম মিয়া, মোসা. সুমনা খাতুন, বিজয় কুমার, আজহারুল ইসলাম, জয় দাস, মিত্রা রায়, লিটন কুমার, আরিফ জাকির, রুখু খাতুন, মোছা. সুমনা খাতুন ঐশি, আব্দুল আলীম, মোছা. ফারিয়া ইসলাম রিমু, তাঞ্জুল ইসলাম স্বর্ণ, মোছা. সুরাইয়া, মোছা. খুশিকা কামরিন বাঁধন ও আসিফ আহমেদ।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—সৌমিত্র বড়ুয়া দিব্য, রিয়াদুল ইসলাম জিসান, মো. মুনতাসির নাছিফ ও মোছা. মোস্তারিনা আক্তার।

তৃতীয় বর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন—মুহাম্মদ জুনাইদ, সাব্বির রাহমেদ মেহেদী, আশিকুর রহমান, অনিরুদ্ধ রায়, অনিক দাস, তানহা ইসলাম তুনা, মিথী রানী ও ফাহিম আস সামি।

চতুর্থ বর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী লক্ষ্মী রানি ও রিয়াজ আহমেদ। এছাড়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী হিসেবে বৃত্তি পেয়েছেন মো. রাকিব ইসলাম।

আরও