চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনাগামী একটি বাসে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে মহাসড়কের পাশে মেরামতের জন্য থামানো হয়। এ সময় বাস থেকে নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন কয়েকজন যাত্রী। এরই মধ্যে দ্রুতগতির একটি লরি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান আরো দুজন। নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ছয় বছর বয়সী শিশু ইব্রাহিম ও স্বপ্না নামের এক নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কুমিরা এলাকায় কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ছয় বছর বয়সী শিশু ইব্রাহিম ও স্বপ্না নামের এক নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ। দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী একটি বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। গাড়িটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী একটি লরি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সার্জেন্ট শামীম আলম বলেন, রাস্তার পাশে বাসের যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দ্রুতগতির একটি লরি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। আহত হন অনেকে। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।