দৌলতদিয়া ঘাটে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ, বিপাকে সাধারণ যাত্রী

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পরেছে চরম বিপাকে। যারা ঢাকা থেকে আসছে ,তারা যেমন ভেঙে ভেঙে আসছে। আবার যারা ঢাকায় যাচ্ছে, তারাও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মাহেন্দ্র ও নসিমনে করে ঘাট পর্যন্ত এসে ফেরি পার হচ্ছে। এতে অন্তত ৩ গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পরেছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে। আজ শনিবার সকাল থেকেই পাল্টে গেছে দৌলতদিয়া ঘাটের রূপ। 

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট ঘুরে দেখা যায়, ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা খুলনা মহাসড়কে কোন ট্রাক বা যাত্রীবাহী বাস পারাপারের অপেক্ষায় নেই। অন্যদিকে দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কের রূপ একেবারেই ভিন্ন। ব্যক্তিগত ছোট প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের উপস্থিতি ছিলো চোখে পরার মতো। 

বিকেল তিনটার দিকে দৌলতদিয়া বাইপাসের জিরো পয়েন্ট থেকে পুলিশ বক্স পর্যন্ত এক কিলোমিটারব্যাপী পারাপারের অপেক্ষায় ছিলো ১০০ ব্যক্তিগত গাড়ি।

তবে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পরেছে চরম বিপাকে। যারা ঢাকা থেকে আসছে ,তারা যেমন ভেঙে ভেঙে আসছে। আবার যারা ঢাকায় যাচ্ছে, তারাও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, মাহেন্দ্র ও নসিমনে করে ঘাট পর্যন্ত এসে ফেরি পার হচ্ছে। এতে অন্তত ৩ গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

ফরিদপুর থেকে আসা হাসিনা বেগম বলেন, অন্য সময়ে বাসে ফরিদপুর থেকে দৌলতদিয়া ঘাট ৪৫ টাকা ভাড়া হলেও এখন মাহেন্দ্রতে ১০০ টাকা দিয়ে আসতে হলো। তার উপর জীবনের ঝুঁকিতো আছেই। 

আরেক যাত্রী হিরন শেখ বলেন, গত বৃহস্পতিবার মা বাবাকে দেখতে ঢাকা থেকে ফরিদপুরে এসেছিলাম। রোববার অফিস খোলা তাই যে করে হোক ঢাকায় পৌঁছাতে হবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সরকার ডিজেলের দাম বাড়ায়, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায়, তা বর্তায় আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ঘাড়ে এসে।

বিআইডব্লিটিসি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, বর্তমানে আমাদের এই নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। বাস ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘাটে তেমন একটা ভীড় বা যানজট নেই। তবে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির চাপ রয়েছে।

আরও