ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে বন্দি দ্বিগুণেরও বেশি

জেলা কারাগার সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে বন্দির সংখ্যা ছিল গড়ে ১ হাজার ২৫০ জনের মতো। আগস্টে তা বাড়লেও সেপ্টেম্বরে আবার কিছুটা কমে হয় ৮৫০ জনের কাছাকাছি। এরপর অক্টোবরেই তা আবার বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনে। নভেম্বর মাসে বন্দির সংখ্যা আরো বেড়ে ১ হাজার ৭০০ জনের কাছাকাছি পৌঁছায়।

ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি বন্দি নিয়ে চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার। ৭৮০ জন বন্দির জন্য নির্মিত এ কারাগারে বর্তমানে রয়েছেন ১ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে নারী বন্দি আছেন ১০০ জন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, এ কারাগারে বর্তমানে নারী-পুরুষ মিলিয়ে সাধারণ হাজতি আছেন ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ জন। সাজাপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন ৫০০ জনের বেশি। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজনসহ বিভিন্ন মামলায় আরো ৬০ থেকে ৭০ জন বন্দি আছেন। মোট বন্দিদের মধ্যে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৪০০ জনের বেশি আছেন মাদক মামলায়।

জেলা কারাগার সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে বন্দির সংখ্যা ছিল গড়ে ১ হাজার ২৫০ জনের মতো। আগস্টে তা বাড়লেও সেপ্টেম্বরে আবার কিছুটা কমে হয় ৮৫০ জনের কাছাকাছি। এরপর অক্টোবরেই তা আবার বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনে। নভেম্বর মাসে বন্দির সংখ্যা আরো বেড়ে ১ হাজার ৭০০ জনের কাছাকাছি পৌঁছায়।

এদিকে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বন্দির সংখ্যা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে ওঠানামা করেছে। তবে গত তিন-চার মাসে সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে জেলা কারাগারের জেলার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, বন্দিদের থাকার জায়গা সুষ্ঠু বণ্টনের মাধ্যমে সবাইকে জায়গা দেয়া হয়েছে। কেউ অতিরিক্ত জায়গা পায়নি বা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে না। সবাই যাতে মিলেমিশে থাকে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ‘তিন কারাগার নির্মাণ প্রকল্প’ এর আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উড়শিউড়ায় ১৭ একর জমিতে বর্তমান জেলা কারাগারটি নির্মাণ করা হয়। প্রথমে এটির ধারণ ক্ষমতা ছিল ৫০৪ জন। এর আগে, শহরের জেল রোডে ১৮৬০-৬১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপকারাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৮৮ সালে জেলা কারাগার হিসেবে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

আরও