আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ইউজিসি ও মন্ত্রণালয়কে সহযোগী হওয়া উচিত। আগে দেখা যেত ভিসির ফাইল তিন বছর ধরে আটকে রাখা হতো। তিনজনের মধ্যে অনুমোদন দেয়া হতো তিন নম্বর জনকে। রাজনৈতিক পরিচয়ে ভিসি নিয়োগ হতো। এটা থেকে অমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। র্যাংকিং উন্নতি করতে ইউজিসির সহায়তা লাগবে। শিক্ষিত বেকারের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকজন উদ্যোক্তা হতে পারে। আমরা গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছি। কিন্তু সত্যিকারের মানুষ বানাতে হবে। নিজেকে প্রেজেন্ট করতে পারতে হবে। দেরি করে আসবে, দুই লাইন ইংরেজি বলতে পারে না। তাহলে চাকরি হবে কীভাবে? প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর শিক্ষার্থী ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না। আমাদের কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে। এখন যা আছে অন্তত তার ৬০ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
শিল্প চালানো কঠিন। ক্লাসে কি শিল্পের নেতাদের আমরা আনতে পারি না? পড়াশোনার মধ্যে ৫০ শতাংশ যদি সিইও পড়ায় তাহলে প্রত্যেকটা ছেলে উদ্যোক্তা হবে। শিক্ষকদের জন্য স্নাতকের পর দুই বছরের জন্য একটি টিচিং কোর্স করানো দরকার। ভারতে এটা করানো হয়। আর দেশের কোন খাতে বেশি বিদেশী কাজ করে এটা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত। বিদেশী যারা এখানে কাজ করছেন তারা অনোক ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। তাই এটা রিপ্লেস করা দরকার। এ বিষয়ে ইউজিসি আমাদের নিয়ে কাজ করতে পারে।
—ডা. এ এম শামীম, প্রেসিডেন্ট, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, স্টেট ইউনিভার্সিটি