সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদামে এসব চাল সংরক্ষণও করা হয়েছে।
এবার আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩৬ টন হলেও চালের গুণগত মান খুবই ভালো পাওয়ায় অতিরিক্ত ২২ টন চাল এবং ১১১ কৃষকের কাছ থেকে ৩৩৩ টন আমন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আংগারিয়া ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা শাহনেয়াজ আলম দীনা।
আংগারিয়া খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গত নভেম্বরে সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদামে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৩৬ টন আমন চাল ও অনির্দিষ্টিসংখ্যক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সরকার, যা গত ১২ জানুয়ারির মধ্যেই অর্জন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদাম ২২ টন অতিরিক্ত চাল এবং ১১১ কৃষকের কাছ থেকে ৩৩৩ টন ধান সংগ্রহ করেন, যা প্রত্যেক কৃষককে তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দাম পরিশোধ করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনেয়াজ আলম দীনা বলেন, ‘সংগৃহীত এসব আমন চাল শরীয়তপুর জেলার পুলিশ, ভিডব্লিউবি, আনসার সদস্যদের রেশন, কাবিখা, জিআর, ওএমএস, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি ও সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও সেবামূলক খাতে ব্যবহার করা হবে।’
শিকদার রাইস মিলের মালিক সোহরাব শিকদার বলেন, ‘উপজেলার আংগারিয়া খাদ্য গুদামে চলতি আমন মৌসুমে সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়ম অনুযায়ী অত্যন্ত উন্নত মানের সিদ্ধ আমন চাল ৫০ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করেছি। কোনো অভিযোগ এড়াতে চালের গুণমানের দিকে পুরো মনোযোগ দিয়েছি। সরকারের মানের চেয়ে ভালো মানের চাল সরবরাহ করেছি।’
সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শেখ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আংগারিয়া খাদ্য গুদামের চালের আর্দ্রতা ১৪ শতাংশের নিচে পরিমাপ করে সংগ্রহ করেছি।’