সাজেকের ঘটনার জন্য পাহাড়ি গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কিছু জায়গা ও অঞ্চল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলে। এর সঙ্গে বিভিন্ন গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলও জড়িত।

রাঙামাটির সাজেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাহাড়ে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। রোববার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফ ছাড়াও একই নামের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ফ্র্যাকশন রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল রয়েছে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পাহাড়ে অনেকগুলো গ্রুপ রয়েছে। জনসংহতি সমিতি, ইউপিডিএফ ছাড়াও আরও কয়েকটি ফ্র্যাকশন রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে। পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা থেকে এসব বিরোধ তৈরি হয় বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কিছু জায়গা ও অঞ্চল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলে। এর সঙ্গে বিভিন্ন গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলও জড়িত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে এবং প্রয়োজনে আরো ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরো বলেন, পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখতে রাজনৈতিক পর্যায়েও আলোচনা চলছে। ওই এলাকার হেডম্যান ও অন্যান্য নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনিও স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা আমাদের সব প্রচেষ্টা জারি রাখব, যাতে শান্তি বজায় রাখা যায়।

আরও