আজ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’খ্যাত এ নেতা ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে মারা যান। তার জন্ম ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’খ্যাত এ নেতা ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে মারা যান। তার জন্ম ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে। হাইকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে তাকে দাফন করা হয়। তার স্মৃতির স্মরণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর রমনা রেসকোর্স নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

সোহরাওয়ার্দী ছিলেন প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক নেতা ও দক্ষ সংগঠক। তিনি ব্রিটিশ ভারতের একজন খ্যাতিমান আইনজীবী। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) ও বিসিএল ডিগ্রি অর্জনের পর লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।

সোহরাওয়ার্দী ১৯২১ থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সম্পাদিত বাংলাপিডিয়া থেকে জানা যায়, সোহরাওয়ার্দী ১৯২৪ সালে কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্যমন্ত্রী, ১৯৪৩-৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীনের মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী ও ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী (১৯৫৪-৫৫) ও ১৯৫৬-৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরে আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহরাওয়ার্দীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। ১৯৫৪ সালের প্রথম প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও